উঠছে তো উঠছেই কমার নাম নেই। নভেম্বরের শুরু থেকেই শীতের আমেজ বাড়তে না বাড়তেই ডিমের দামও ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। হাতেই দিলেই এক্কেবারে ছ্যাঁকা। কোথাও কোথাও ৬ পিস ৪৮ থেকে ৫২ টাকা পর্যন্ত। এক পেটি মানে ৩০টি ডিমের দাম ২৪০, ২৫০ এমনকী তাও ছাপিয়ে যাচ্ছে। আর ডিমের দামের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষলেন কেন্দ্রকেই।
আরও পড়ুনঃ হাইকোর্ট নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েই বড় পদক্ষেপ তৃণমূলের
এদিন বাংলার উন্নয়নের পাঁচালি তুলে ধরতে গিয়ে, তৃণমূল জমানায় উন্নয়নের খতিয়ান দিতে গিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন আচমকা ডিমের দাম বৃদ্ধি নিয়ে।
মমতার স্পষ্ট প্রশ্ন, “মুরগিদের যে খাবার খাওয়ানো হয় সেটার দাম বাড়াচ্ছে কেন কেন্দ্র? প্রতি বছর ১২ শতাংশ করে কেন বাড়ানো হচ্ছে?” তবে রাজ্য যে নানাভাবে দামের এই উর্ধ্বগতি ঠেকানোর চেষ্টা করছে তাও এদিন বিশদ বিবরণ দিয়ে তুলে ধরেন মমতা। পাশাপাশি বাংলায় এখন পুরোদমে ইলিশ থেকে পেঁয়াজ সবেরই চাষ হচ্ছে তাও, বাংলা যে স্বনির্ভর হচ্ছে তাও জোর দিয়ে বলেন মমতা। তাঁর কথায়, “আমরা ভুট্টা চাষ করে কিছুটা তাদের খাবার জোগার করার চেষ্টা করছি। কিন্তু হাস-মুরগিরা যে খাবার খায় আপনারা তার দাম বাড়িয়ে চলেছেন। আর বাইরে উল্টো-পাল্টা বকে যাচ্ছেন। মিথ্যা কথা কেন বলছেন? আমরা এখন ১২টা রাজ্যে এখন ডিম সাপ্লাই করি। ইলিশ মাছ বাংলায় উৎপাদন হয়, পেঁয়াজ বাংলায় হচ্ছে, পেঁয়াজেরও কোল্ড স্টোরেজ হয়েছে।”
আরও পড়ুনঃ শুরু রাজনৈতিক তরজা! নবদ্বীপে উদ্ধার শতাধিক ভোটার কার্ড
এদিন গোটা রাজ্যে পথশ্রী প্রকল্প থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ নানাবিধ প্রকল্পে রাজ্য গিয়ে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হয়েছে সেই খতিয়ান দেন মমতা। কিন্তু কেন্দ্র কীভাবে বিভিন্ন প্রকল্পে টাকা আটকে রেখেছে তার খতিয়ানও তুলে ধরেন।
তবে শেষে রীতিমতো কটাক্ষের সুরেই বলেন, “অনেক যন্ত্রণা, অনেক লাঞ্ছনা, অনেক বঞ্চনা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকাকে বলব অনেক ধন্যবাদ। আপনারা আমাদের টাকা আটকে রেখেছেন তার জন্যও অনেক ধন্যবাদ।” তবে তিনি যে বরাবরই সহযোগিতা চান তাও এদিন জোর দিয়ে বলতে দেখা যায়।









