যত কান্ড আলিয়াতে। আজ বুধবার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে ঘটল বিপত্তি। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম পড়লেন বিক্ষোভের মুখে। এই অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেলিম হলে ঢুকতেই হলের চেয়ার খালি হতে শুরু করে অনেক ছাত্রই বাইরে বেরিয়ে যান বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। ছাত্রদের একাংশের মতে ঘোলা জলে মাছ ধরতে এসেছেন সেলিম।
আরও পড়ুনঃ ‘তালাক-তালাক-তালাক’; CPI(M)-কে তিন তালাক দিচ্ছেন Gen Z প্রতীক-উর!
তাই ছাত্রদের একাংশ হল ছেড়ে বেরিয়ে যায় এবং অনেকেই অভিযোগ করেছেন বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন মহম্মদ সেলিম। ছাত্রদের মতে সেলিমকে কে বা করা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তা তাদের অজানা তবে তাদের মতে এখন আর রাজনীতি করবার জায়গা নেই বলেই সেলিম আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে রাজনীতি করবার চেষ্টা করছেন।
ছাত্রদের একাংশের মতে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এখনও যথেষ্ট শান্ত আছে এবং সমস্ত সংগঠনের ছাত্ররা একজায়গায় বসতে পারে কিন্তু মহম্মদ সেলিম সেই পরিবেশ নষ্ট করে দিয়ে রাজনীতি করতে এসেছিলেন। সেলিমও অবশ্য এই ব্যাপারে মুখ খুলেছেন। তিনি পাল্টা বলেছেন এখানে তৃণমূল ছাত্র সংগঠন রয়েছে এবং তাদের শক্তি কিছুটা কমেছে তাই আজ এসে বক্তৃতা করার সুযোগ পেয়েছেন এমনটাই শোনা গিয়েছে সেলিমের মুখে।
তিনি আরও বলেন তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তবে এই ঘটনায় সরব হয়েছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ তারা সরাসরি শাসক দল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন এবং বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা বর্তমানে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারক কমিটি বা কোর্টের একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন তাই এই মুহূর্তে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের জোর এখানে বেশি।
আবার অনেকেই তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সঙ্গে একই সুরে বলেছেন যে রাজ্য সিপিএমের এখন আর হারাবার কিছুই নেই এবং সেলিম একজন সাম্প্রদায়িক রাজনীতিবিদ তাই আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যালঘুদের মাঝে ভোটের মাইন্ড গেম খেলতে এসেছিলেন এবং তার আসল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রদের ম্যানিপুলেট করা।









