সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটের হিসাব অনুসারে, এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ৮৫টি আসনে। বিরোধীদের ‘মহাগঠবন্ধন’ এগিয়ে আছে ৫৭ আসনে। সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু হয়েছে। শুরুতে পোস্টাল ব্যালটের গণনা হয়েছে। তাতে প্রাথমিক আভাস মিলছে এনডিএ এগিয়ে রয়েছে।

মোকামা বিধানসভা কেন্দ্রের জেডিইউ প্রার্থী অনন্ত কুমার ভোটের প্রচারের সময়ে খুনের মামলায় গ্রেফতার হন। শনিবার গণনার প্রাথমিক আভাসে শুরু থেকেই এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
বিরোধী জোট ‘মহাগঠবন্ধন’-এর প্রাথমিক আভাসে এগিয়ে আছে ৫৭টি আসনে। তার মধ্যে এগিয়ে আরজেডি এগিয়ে ৪৪ আসনে। কংগ্রেস এগিয়ে আটটি আসনে।
বিহারের শাসক জোটের অন্দরে জেডিইউয়ের তুলনায় ভাল ফল করছে বিজেপি। গণনার প্রাথমিক আভাসে তেমনটাই দেখা যাচ্ছে। শাসকজোট এনডিএ ৬৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তার মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪৫টি আসনে। জেডিইউ এগিয়ে আছে ৩১টি আসনে।
প্রাথমিক ভাবে পিছিয়ে পড়লেও পড়ে আবার এগিয়ে গিয়েছেন তেজপ্রতাপ। বিহারের মহুয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ রাজনীতির আঙিনায় বিপাকে তৃণমূল নেতা; অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা!
গণনাপর্বের প্রথম আধ ঘণ্টায় প্রাথমিক ইঙ্গিত, নীতীশদের শাসকজোট এগিয়ে রয়েছে ৪৬টি আসনে। তেজস্বীদের বিরোধী জোট এগিয়ে রয়েছে ৩৮টি আসনে। প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি প্রাথমিক ভাবে এগিয়ে রয়েছে তিনটি আসনে।
বিহার বিধানসভা ভোটের গণনা শুরু হয়ে গেল। বিহার বিধানসভায় মোট ২৪৩টি আসন রয়েছে। সব কটি আসনেই গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। মোটামুটি ভাবে সকাল ১১টার মধ্যে ফলাফলের (Bihar Election Result) ট্রেন্ড অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার আগে দেখে নেওয়া যাক এবার বিহার নির্বাচনের অঙ্কটা ও বিশেষ কিছু পরিসংখ্যান।
আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ দুর্ঘটনা! সন্তানকে ছু়ড়ে দিলেন ফুটপাথে; মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কৈখালিতে
১) রেকর্ড ভোটার টার্নআউট: মোট ভোটদান হয়েছে ৬৬.৯১%, যা ১৯৫১ সালের প্রথম বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে সর্বোচ্চ। ২০২০ সালে ভোটদানের হার ছিল ৫৬.৯৩ শতাংশ।
২)মহিলা ভোটারদের ঐতিহাসিক অংশগ্রহণ: এবার মহিলা ভোটারদের ভোটদানের হার ছিল ৭১.৬%, পুরুষ ভোটারদের ৬২.৮%–এর তুলনায় অনেক বেশি — বিহারের ভোটের ইতিহাসে পুরুষদের এত গোল আগে কখনও দেননি মহিলারা।
৩)দুই দফায় নির্বাচন: প্রথম দফায় ভোটদানের হার ৬৫.০৮%, দ্বিতীয় দফায় ৬৮.৭৬%
৪) মোট ভোটার সংখ্যা: প্রায় ৭ কোটি ৪৫ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৮ জন ভোটার তালিকাভুক্ত ছিলেন। ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের পর প্রথম ভোট।
৫) পোলিং স্টেশন সংখ্যা: দুটি দফা মিলিয়ে মোট ৯০,৭৪০টি বুথে ভোট গ্রহণ হয়।
৬) মোট ২,৬১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
৭) আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ: প্রথমবারের মতো ৬টি দেশের ১৬ জন প্রতিনিধি (দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, বেলজিয়াম, কলম্বিয়া) ভোট পর্যবেক্ষণে অংশ নেন।
৮) নির্বাচন পর্যবেক্ষক: ২৪৩ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৩৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক, ৬৭ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক
৯) পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি: কোনও বুথে পুনর্নির্বাচন হয়নি।
১০) গত বিধানসভা ভোটের তুলনায় ভোট দানের হার বেড়েছে ১০ শতাংশ, মহিলাদের যোগদান বেড়েছে ১২ শতাংশ, পুরুষদের যোগদান বেড়েছে ৮ শতাংশ।









