মহিলা ঘটিত কেলেঙ্কারির জেরে জেরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল থেকে তাড়িয়েছিল রাজ্য সিপিএম। সেই সময় তিনি রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সেই পদ পেয়েছিলেন বাংলা থেকে সিপিএমের ক্ষমতা যাওয়ার পর। এখনও তিনি রাজ্যসভার সদস্য। এবার গিয়েছেন তৃণমূলের হয়ে। তাঁর মতোই সিপিএমের এক দুর্দিনের সাংসদকে মাস আটেক আগে দল বহিষ্কার করেছে। ঋতব্রতর কায়দায় তিনিও নাকি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। এমনই খবর আসছে সূত্র মারফত।
আরও পড়ুনঃ ফের কেচ্ছা সিপিএমে! নারীঘটিত অভিযোগে ‘ইন্দ্র’ পতন সিপিএমে
বঙ্গে বামেদের পতন শুরু হয় ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকে। ২০০৯ সালে দীর্ঘদিনের বামফ্রন্ট সরকারকে বড় ধাক্কা দেয় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট। পঞ্চদশ লোকসভা ভোটে পরিবর্তনের ঝড় ওঠে।
উত্তরের মালদা থেকে দক্ষিণে শিয়ালদা- সব সবুজে সবুজ। মাঝে আসানসোল ছিল লাল। সেই কেন্দ্রে জেতেন সিপিএমের বংশগোপাল চৌধুরী। সূত্রের খবর, তিনিই এবার তৃণমূলের পতাকাতলে আশ্রয় নিতে চলেছেন।
আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসে মিলায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান! জঙ্গি হাদির জানাজা শেষে সংসদ ভবনে হামলার চেষ্টা মৌলবাদীদের
এ বছরের শুরুর দিকে বংশগোপাল চৌধুরীকে বহিষ্কার করে সিপিএম। তাঁর বিরুদ্ধে দলেরই নেত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মাস সাতেক ধরে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নেই এই প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ। এবার তৃণমূলের হয়ে তিনি নয়া ইনিংস শুরু করতে চলেছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সাত বছর আগে সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তো ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন এক মহিলা। ঋতব্রতর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিও ভাইরাল হয়। সেই সিপিএম সাংসদ এখন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের মাথায়। তাঁর দেখানো পথেই কী হাঁটতে চলেছেন বাংলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ বংশগোপাল চৌধুরী?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং লাগোয়া পুরুলিয়ার তৃণমূলের শক্তি কম। বাঙালি আবেগে শান দিতে গিয়ে অবাঙালি প্রধান এলাকায় সংগঠনের ক্ষতি হয়েছে। এই ধরনের শ্রমিক মহল্লায় শ্রমজীবী শ্রেণির নেতা বংশগোপাল চৌধুরীর প্রভাব আছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে আইপ্যাক। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে কান পাতলে এমনই খবর ভাসছে। এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তৃণমূলের নেতারা।









