spot_img
Thursday, 19 February, 2026
19 February
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গDarjeeling Himalyan Railway: একাধিক রোমাঞ্চকর উপহার দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের! ১৯২০ সালের এক...

Darjeeling Himalyan Railway: একাধিক রোমাঞ্চকর উপহার দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের! ১৯২০ সালের এক রাজকন্যার ইতিহাস

নেপথ্যে রয়েছে ১৯২০ সালের এক রাজকন্যার ইতিহাস।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

এবার টয় ট্রেনে করে যাওয়া যাবে চা পাতা তুলতে, জঙ্গল ভ্রমণে, এমনকি, নাচ-গান-খাওয়াদাওয়া করতেও। একাধিক রোমাঞ্চ নিয়ে আসছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছে ১৯২০ সালের এক রাজকন্যার ইতিহাস।

আরও পড়ুনঃ যত কান্ড আলিয়াতে; CPI(M) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কি বিরক্ত? ছাত্র বিক্ষোভের মুখে সেলিম

দার্জিলিং সফরে এসেছিলেন কোচবিহারের এক রাজকন্যা। স্থানীয় উইন্ডমেয়ার হোটেলের একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে এসে রাজকন্যার একঘেয়ে লাগছিল। সুযোগ বুঝে তিনি ডিএইচআর (দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে)-এর তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজারের সাহায্যে সেখান থেকে গোপনে বেরিয়ে আসেন। জ্যোৎস্নারাতে টয় ট্রেনে নিজের মতো করে এক পার্টি আয়োজন করেন। ইতিহাসের পাতা থেকে ১৯২০ সালের সেই পূর্ণিমা রাতের স্মৃতি আবার ফিরতে চলেছে।

এ বারের গরমের ছুটি আরও রোমাঞ্চকর হতে চলেছে শৈলরানির পর্যটকদের জন্য ৷ পর্যটকদের জন্য তিনটি নতুন চার্টার্ড টয় ট্রেন পরিষেবা চালু করতে চলেছেন দার্জিলিং হিমালয়ান রেল কর্তৃপক্ষ ৷ শুধু তাই নয়, টয় ট্রেনের যাত্রার পাশাপাশি বন দফতরের সঙ্গে যৌথ ভাবে ট্রেকিং, হাইকিং, গোর্খা জনজাতির খাওয়াদাওয়া, নাচগানের মতো আয়োজনও করবে ডিএইচআর ৷ এই ধরনের উদ্যোগ দেশের মধ্যে প্রথম বলে দাবি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের।

আরও পড়ুনঃ ‘তালাক-তালাক-তালাক’; CPI(M)-কে তিন তালাক দিচ্ছেন Gen Z প্রতীক-উর!

ব্রিটিশ আমলের ইতিহাসকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ণিমার রাতে টয়ট্রেনে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করা, চা-বাগানের খুঁটিনাটি দেখা ও পর্যটকদের সঙ্গে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধনের সাক্ষী হতে পরিষেবা চালু করা হবে। প্রতি পূর্ণিমার রাতেই মিলবে পরিষেবা ৷ বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দার্জিলিং থেকে নির্দিষ্ট ট্রেন যাত্রা শুরু করবে ৷ যাত্রার মাঝে পর্যটকদের তিনধারিয়া ওয়ার্কশপ দেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে ৷ ট্রেনে দেওয়া হবে তিব্বতি চা ৷ রংটং থেকে সুকনা হয়ে গুলমায় গিয়ে এই ‘অভিনব যাত্রা’ শেষ হবে ৷ গুলমায় লোকসংস্কৃতির অঙ্গ নাচগান আয়োজনের পাশাপাশি থাকবে রাতের খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থাও ৷ জানা যাচ্ছে, ভাগ্য ভালো থাকলে চাঁদের আলোয় চা-পাতা তোলার দৃশ্যও উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকেরা।

এই প্রসঙ্গে ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, ‘‘হেরিটেজ টয়ট্রেনে এখানকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরিবেশের সঙ্গে পর্যটকদের একাত্ম হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই এই ভাবনা ৷ এখানকার নদী, পাহাড়, চা-বাগান এবং পাহাড়ি বনভূমিতে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা ৷ সেই সঙ্গে করতে পারবেন ট্রেকিং ৷ বিশেষ প্রাপ্তি হিসেবে থাকবে আদিবাসী ও গোর্খাদের হাতে তৈরি খাবার সামগ্রী, হস্তশিল্প সামগ্রী। এই পরিষেবার জন্য বন দফতরের সঙ্গে ডিএইচআর একটি মউ স্বাক্ষর করেছে ৷ সঙ্গে কার্শিয়াঙয়ে টয়ট্রেনের মিউজিয়ামও দেখার সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা।’’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন