ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ রবিবার রাতে রাজ্যে আসছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। রবিবার রাতের বিমানে কলকাতায় পৌঁছে যাবেন জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর টিম। এই নিয়ে আজ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মানোজ কুমার আগারওয়াল জানান যে, আগামিকাল অর্থাৎ রবিবার রাতে রাজ্যে আসছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ ৷ এরপর দুদিন অর্থাৎ ৯ ও ১০ মার্চ পর পর বৈঠক রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূল সরকার সব সীমা পার করেছে’; ফুঁসে উঠলেন মোদী
সোমবার সকালে প্রথমেই জ্ঞানেশ কুমার যাবেন কালীঘাটে। সেখানে তিনি যাবেন কালীঘাট মন্দিরে। তারপরে শুরু হবে সফরের অন্যান্য কর্মসূচি, রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান যে, মূলত আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কোথায় কীরকম আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা রয়েছে, কতগুলি বুথ কোথায় হচ্ছে, কোন কোন জায়গা স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শ কাতর, এইসব বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর টিম।
আগামী সোমবার অর্থাৎ ৯ তারিখ ২৫টি নোবেল এজেন্সি যেমন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে সবকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক সারবে জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর দল প্রতিটি রাজ্যের আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট করে সময় দেওয়া হয়েছে তাদের নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরার জন্য। এছাড়াও, রাজ্য প্রশাসন যেমন স্বরাষ্ট্র দফতর-সহ রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং ডিজির সঙ্গে বৈঠক করবেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ।
আরও পড়ুনঃ গোঁসাইপুরে সরগরম! ভোটমুখী বাংলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকায় অসন্তোষ রাষ্ট্রপতির
সমস্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আগামী ১০ মার্চ সাংবাদিক বৈঠক সেরে দিল্লিতে ফিরে যাবে জ্ঞানেশ কুমার ও তার টিম এরপরে সমস্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে যে কোনও দিন বাংলায় ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে নির্ঘন্ট প্রকাশ করা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দফতর সূত্রে খবর চেয়ে সোমবার অর্থাৎ ৯ তারিখ প্রথমে কালীঘাট মন্দিরে যাবেন জ্ঞানেশ কুমার এরপরে তারা দক্ষিণেশ্বরে ও যতে পারেন বলেই খবর।
অন্যদিকে, এখনও পর্যন্ত সাড়ে আট লক্ষ অ্যাজুডিকেশনে থাকা ভোটারের নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ এখনও পর্যন্ত শেষ হয়েছে। অ্যাজুডিকেশনের তালিকা থেকেও যদি কারও নাম বাদ পড়ে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সেই ভোটার আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন। তবে, সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নেবে, তাঁরা হাইকোর্টে আপিল করবেন নাকি সরাসরি সুপ্রিম কোর্টেই করবেন।









