spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
HomeদেশDelhi Air Pollution: দিল্লিতে জারি ইমারজেন্সি! জ্বলছে চোখ-মুখ, হাওয়ায় মারাত্মক বিষ

Delhi Air Pollution: দিল্লিতে জারি ইমারজেন্সি! জ্বলছে চোখ-মুখ, হাওয়ায় মারাত্মক বিষ

দীপাবলির পর থেকেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির বাতাস।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে পৌঁছল দিল্লির বাতাসের  গুণগত মান। মঙ্গলবার সকালে দিল্লিবাসীর ঘুম ভাঙল ঘন কুয়াশার মধ্যে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড-এর তথ্য অনুযায়ী, এদিন সকালে রাজধানীর বাতাসের গড় গুণমান সূচক বা ‘এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স’ ছিল ৩৫৯। তবে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ছিল বাওয়ানার। সকাল ৭টা নাগাদ সেখানে একিউআই ছিল ৪২৭।

দীপাবলির পর থেকেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির বাতাস। তাই ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। সম্প্রতি তার ট্রায়ালও হয়। কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে না-হওয়ার-মতো। অথচ ইতিমধ্যেই তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আগামিকাল ১৯শে নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস; আপনার জীবনের ‘বিশেষ পুরুষটির’ জন্য সেরা উপহার কী হতে পারে?

একদিকে ধোঁয়াশার ঘনত্ব, অন্যদিকে বায়ুর গতিবেগ একেবারে মৃদু- যার ফলে দূষণ লাফিয়ে বাড়ছে বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড। গত সপ্তাহেই দিল্লিতে কার্যকর হয়েছে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৩। কিন্তু তারপরেও দূষণ কমার লক্ষণ নেই।

কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড-এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে দিল্লির কর্তব্য পথ এলাকায় বাতাসের গুণমান সূচক ছিল ৩৪১,  চাঁদনি চকে ৩৮৩, আর কে পুরমে ৩৬৬, পঞ্জাবিবাগে ৩৮৪, পাটিয়ারগঞ্জে ৩৬৯ এবং আনন্দ বিহারে ৩৮৩।

মঙ্গলবার দিল্লির AQI ৩৬০ থেকে কমে ৩৪১ হলেও, দৃশ্যমানতার বিশেষ উন্নতি হয়নি। ঘন কুয়াশা বা স্মগের কারণে সকালে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি এখনও বেশি।

মঙ্গলবার দিল্লির মাত্র তিনটি মনিটরিং স্টেশনে AQI ৪০০-এর বেশি রেকর্ড করা হয়েছে, যা সোমবারের তুলনায় কম। তবে বওয়ানা (৪১৯) এবং জাহাঙ্গিরপুরীতে (৪১৪) বাতাস এখনও বিপজ্জনক।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতা দখল, শেখ হাসিনার নির্বাসন এবং আন্তর্জাতিক আইনের বিচারে এক অসাংবিধানিক সংকট

গাছপালা ও কম যানজটের কারণে দিল্লির লোধি রোড (১৯৯) এবং মন্দির মার্গ (১৯৭) এর মতো কিছু এলাকায় বায়ুর গুণমান তুলনামূলকভাবে ভালো, যা সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে।

IMD-র মতে, তাপমাত্রা আরও কমলে শৈত্যপ্রবাহ ঘোষণা হতে পারে। ঠান্ডা ও শান্ত বাতাস দূষণকারী কণাকে আটকে রাখে, ফলে স্মগ আরও ঘন হয় এবং AQI খারাপ হতে পারে।

কৃত্রিম বৃষ্টি আনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এখন দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি পুরোপুরি আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল। সামান্য বৃষ্টি বা জোরে বাতাস চললেই কেবল এই বিষাক্ত বাতাস থেকে স্বস্তি মিলতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন