ঢাকা বদলাচ্ছে, আর সেই পরিবর্তনের শব্দ সীমান্ত পেরিয়ে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার ফেরা নয়, এটি ছিল ক্ষমতার সমীকরণ নতুন করে লেখার ঘোষণা।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের পঞ্চগড়-১ আসনে ভোটারদের তীব্র প্রত্যাখ্যান; চরম বিপর্যয় “জুলাই জঙ্গি” সারজিসের
যে মাটিতে একসময় তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ছিল, সেই মাটিতেই জনসমর্থনের ঢেউ দেখিয়ে তিনি প্রমাণ করে দিলেন—রাজনীতি শূন্যস্থান সহ্য করে না।
খালেদা জিয়ার প্রয়াণের আবেগঘন মুহূর্তে নেতৃত্ব গ্রহণ, স্থিতিশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি, সংখ্যালঘু সুরক্ষার বার্তা—সব মিলিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক বর্ণনা তৈরি হয়েছে। আর এই পুরো প্রক্রিয়ায় দিল্লির নীরব কিন্তু হিসেবি উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শোকবার্তা, কূটনৈতিক সংহতি, সময়মতো সফর—সবকিছুই ইঙ্গিত দেয়, ভারত ঘটনাপ্রবাহের বাইরে ছিল না; বরং খুব মনোযোগ দিয়ে বোর্ড সাজাচ্ছিল।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে জয় হল মুক্তিযুদ্ধের, ‘বড় বড় কথা বলা বিল্পবী মুখগুলোর’ অনেকেই হারল
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে পালাবদল শুরু হয়েছে, তা শুধু ঢাকার ক্ষমতার অঙ্ক নয়—এটি আঞ্চলিক কৌশল, প্রভাবের লড়াই এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সমীকরণের অংশ। যারা ভেবেছিল এই পরিবর্তন আকস্মিক, তারা বাস্তবতা পড়তে ব্যর্থ হয়েছে। খেলাটা অনেক আগেই শুরু হয়েছিল, আর এখন শুধু তার ফলাফল দৃশ্যমান।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় লেখা হচ্ছে—এবার দেখা যাবে কে কত দূর পর্যন্ত এই চাল চালতে পারে।









