spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
HomeদেশElection Commission: পরের মাসেই আপনার বাড়িতে হাজির হতে পারে কমিশন

Election Commission: পরের মাসেই আপনার বাড়িতে হাজির হতে পারে কমিশন

বাংলায় এই সমীক্ষা শেষবার হয়েছিল ২০০২ সালে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

গোটা বিষয়টা শুধু আর বিহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সাম্প্রতিককালে যে ইস্যুটা বিতর্ক ছড়িয়েছিল গোটা দেশজুড়ে। সেই বিশেষ ও নিবিড় সমীক্ষা এবার বিতর্কের মতোই ছড়িয়ে পড়তে চলেছে গোটা দেশ।

আরও পড়ুনঃ ‘বজ্র আঁটুনি’ নিরাপত্তা; বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলে

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দু সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী মাস থেকেই দেশব্যাপী ভোটার তালিকা সংক্রান্ত জরিপের কাজ শুরু করে দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, সুপ্রিম কোর্টে বাড়তি ‘মাইলেজ’ পেয়েছে কমিশন। গত শুনানিতেই শীর্ষ আদালত জানিয়েছে দিয়েছে, এই সমীক্ষা সাংবিধানিক অধিকার। তাই এতে স্থগিতাদেশ চাপানো উচিত নয়। তবে নির্বাচন কমিশন যেন রেশন, ভোটার ও আধার কার্ডকে নাগরিক পরিচয়পত্র হিসাবে মান্যতা দেয় সেই পরামর্শ দিয়েছেন বিচারপতিরা। এরপরই দেশব্যাপী সমীক্ষার ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে কমিশন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী ২৮ জুলাই। সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানির দিন।

হিন্দুর প্রতিবেদন তরফে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার শেষবার হওয়া সমীক্ষার তালিকা প্রকাশ্যে আনা শুরু করেছেন। যেমন, বাংলায় এই সমীক্ষা শেষবার হয়েছিল ২০০২ সালে। দিল্লিতে হয়েছিল ২০০৯ সালে। উত্তরাখণ্ডে হয়েছিল ২০০৬ সালে।

আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় AIIMS এর দাবি; জলপাইগুড়ি শহরে বিরাট মিছিল বাংলা পক্ষর

ইতিমধ্যেই বিহারে এই নিবিড় সমীক্ষা চলছে। সূত্রের খবর, পড়শি রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন করতে গিয়ে বহু নেপাল, বাংলাদেশ ও মায়ানমারের বাসিন্দার নাম পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রথম এই অনুপ্রবেশকারী ইস্যু নিয়ে সরব হয়েছিল। যখন বিরোধীরা তাদের ভুতূরে ভোট নিয়ন্ত্রণ না করার অভিযোগ তুলে সরব হয়, তার পাল্টাই যে এই সমীক্ষা। সেই কথা আগেই জানায় কমিশন। তারা আরও স্পষ্ট করে বলে যে বিগত কয়েক বছরে দেশের বহু জায়গা থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটি নিবিড় সমীক্ষা বৈধ ও অবৈধ নাগরিক জরিপে প্রয়োজন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন