কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। আরজি কর কাণ্ডের পর থেকেই বহুবার খবরের শিরোনামে এসেছিলেন ইন্দিরা। আরজি করে নির্যাতিতা ডাক্তারের বাবা অভিযোগ করেছিলেন, ক্রাইম সিন নিয়ে মিথ্যা বলেছিলেন ইন্দিরা। এহেন ইন্দিরাকে সরিয়ে কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) করা হয়েছে ইয়েলওয়াড় শ্রীকান্ত জগন্নাথরাওকে। এরই সঙ্গে রাজ্যের ১২ জায়গায় পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদার পুলিশ সুপাররা এই তালিকায় রয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ মানিকতলায় শ্রেয়া কনফার্ম! সওয়া ৩টের সময়ে তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা, পরম চমক বিকেলে
এর আগে আরজি কর কাণ্ডের সময় ক্রাইম সিন এবং তদন্ত ইস্যুতে কলকাতা পুলিশের দিকে আঙুল উঠতেই সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন ইন্দিরা। তৎকালীন ডিসি সেন্ট্রাল দাবি করেছিলেন, সেমিনার হলে যেখানে বডি পাওয়া গিয়েছিল তার থেকে চল্লিশ ফিটের মধ্যে বহিরাগত কেউ আসেনি। পরে আরজি করে নিহত চিকিৎসকের বাবা দাবি করেছিলেন, যেই সময় তাঁরা সেমিনার রুমের ভিতরে গিয়েছিলেন তখন সাদা কাপড় দিয়ে কোনও কর্ডন করা ছিল না। তিনি বলেছিলেন, ‘ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় একেবারে মিথ্যে কথা বলছেন।’
আরও পড়ুনঃ শুরু প্রতিশোধ! ৪০০ জনের প্রাণের বদলা নিল আফগানিস্তান
এদিকে নির্বাচন কমিশনের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, বীরভূমের পুলিশ সুপার করা হয়েছে সূর্যপ্রতাপ যাদবকে। তিনি আইপিএস ২০১১ সালের ব্যাচ। কোচবিহারের এসপি হয়েছেন জসপ্রীত সিংহকে। তিনি আইপিএস ২০১৬ সালের ব্যাচ। বারাসত পুলিশ জেলার নতুন এসপি হলেন আইপিএস পুষ্পা। তিনি ২০১২ সালের ব্যাচের। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ জেলার সুপার হয়েছেন ঈশানী পাল। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি করা হয়েছে ২০১৩ সালের ব্যাচের আইপিএস সচিনকে। বসিরহাট পুলিশ সুপার হয়েছেন লকানন্দা ভোয়ালকে। তিনি আইপিএস ২০১৭ সালের ব্যাচ। মালদার পুলিশ সুপার করা হয়েছে অনুপম সিংহকে। পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি করা হয়েছে অংশুমান সাহাকে। তিনি আইপিএস ২০১২ সালের ব্যাচ। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার করা হয়েছে পাপিয়া সুলতানাকে দায়িত্ব দেওয়া হল। তিনি ২০১৫ সালের ব্যাচের আইপিএস। জঙ্গিপুরের এসপি করা হয়েছে সুরিন্দর সিংহকে। তিনি ২০১৬ সালের ব্যাচের আইপিএস।







