হরমুজ বন্ধে এশিয়ায় জ্বালানি সংকট! চীন-ভারত-কোরিয়া-সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়ায় রিফাইনারি শাটডাউন।
চীন (CHINA)
– Zhejiang Petrochemical (ZPC, Saudi Aramco-এর অংশীদারিত্বে) – ২০০,০০০ ব্যারেল/দিনের একটি ক্রুড ডিস্টিলেশন ইউনিট শাটডাউন করেছে, নির্ধারিত মেইনটেন্যান্স এগিয়ে নিয়েছে। প্রোডাকশন ২০% কমেছে।
– Fujian Refining and Petrochemical Co – ৮০,০০০ ব্যারেল/দিনের ইউনিট অজানা সময়ের জন্য বন্ধ।
– সরকার – রিফাইনারিগুলোকে রিফাইন্ড ফুয়েল (ডিজেল, পেট্রোল) এক্সপোর্ট কন্ট্রাক্ট সাসপেন্ড করতে বলেছে, যাতে দেশীয় সাপ্লাই ঠিক রাখা যায়।
চীন ইরান থেকে অনেক ক্রুড নেয় (১৪% আমদানি), তাই লম্বা সংকটে বড় প্রভাব।
ভারত (INDIA)
– Mangalore Refinery and Petrochemicals Ltd (MRPL, ৩০০,০০০ ব্যারেল/দিন) – একটি ক্রুড ইউনিট (১০০,০০০ ব্যারেল/দিন) ও সেকেন্ডারি ইউনিট (হাইড্রোক্র্যাকার সহ) শাটডাউন করেছে ক্রুড অয়েলের অভাবে।
– MRPL গ্যাসোলিন এক্সপোর্টে ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে (মার্চ-এপ্রিল কার্গো)।
ভারতের ৫০%+ ক্রুড হরমুজ দিয়ে আসে, তাই স্টক দ্রুত কমছে।
দক্ষিণ কোরিয়া (SOUTH KOREA)
– Yeochun NCC – প্রোডাকশন কাট করেছে, ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে। ন্যাফথা সোর্স করতে পারছে না হরমুজ ব্লকেডের কারণে।
দক্ষিণ কোরিয়া ন্যাফথার বড় আমদানিকারক, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৬০-৮০% আসে।
সিঙ্গাপুর (SINGAPORE)
– Petrochemical Corporation of Singapore (PCS) – শিপমেন্টে ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট ও সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত।
– Aster Chemicals – ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে; স্টিম ক্র্যাকার ৫০% ক্যাপাসিটিতে চলছে।
সিঙ্গাপুর এশিয়ার পেট্রোকেম হাব, ন্যাফথা-নির্ভর।
আরও পড়ুনঃ মিলে গেল বাম-বিজেপির দাবি, কমিশনে একসুর বাম-কং-বিজেপির! ছাব্বিশে এক দফায় ভোট?
ইন্দোনেশিয়া (INDONESIA)
– Chandra Asri – সব কন্ট্রাক্টে ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে। মধ্যপ্রাচ্য কনফ্লিক্টে র ম্যাটেরিয়াল সাপ্লাই বিঘ্নিত।
ভিয়েতনাম (VIETNAM)
– Binh Son Refining – সরকারকে অনুরোধ করেছে Q3 পর্যন্ত ক্রুড এক্সপোর্ট রেস্ট্রিক্ট করতে, যাতে দেশীয় সাপ্লাই ঠিক রাখা যায়।
এই সংকটে এশিয়ার রিফাইনারি রান কাট ২০-৩০% পর্যন্ত হতে পারে। অনেক দেশ স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে টানছে, অল্টারনেটিভ সোর্স (রাশিয়া, ওয়েস্ট আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র) খুঁজছে। তেলের দাম $১০০+ এ যাওয়ার আশঙ্কা, জ্বালানি সংকট লম্বা হলে অর্থনৈতিক প্রভাব বড় হবে।
পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে – যুদ্ধ যদি লম্বা হয়, তাহলে আরও শাটডাউন আসতে পারে।









