spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
HomeচাকরিFacebook: মাসে ১০ লক্ষ টাকা! হিন্দি জানেন? চাকরি দেবে ফেসবুক

Facebook: মাসে ১০ লক্ষ টাকা! হিন্দি জানেন? চাকরি দেবে ফেসবুক

মেটা প্রতি ঘণ্টায় ৫৫ ডলার করে দেবে আপনাকে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আপনি কি হিন্দি জানেন? তাহলে এবার আপনার জন্য নতুন চাকরির খবর রয়েছে ফেসবুকের প্যারেন্ট কোম্পানি মেটার তরফে। এই কাজের জন্য মেটা প্রতি ঘণ্টায় ৫৫ ডলার করে দেবে আপনাকে। আর যদি আপনি মাসে অন্তত ২৫ দিন, ৮ ঘন্টা করে কাজ করেন তাহলে আপনার উপার্জন গিয়ে ঠেকবে ৯ লক্ষ ৭২ হাজার টাকার কাছাকাছি। আসলে, ভারতের বাজার ধরতে এবার এক নয়া কৌশল নিয়েছে মেটা।

আরও পড়ুনঃ ঝিলপাড়ে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার ছাত্রী, হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা

হিন্দিতে কথা বলা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স চ্যাটবট তৈরির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কন্ট্রাক্টর নিয়োগ করছে মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা। এই কর্মীদের মূল কাজ হবে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জারের জন্য আকর্ষণীয় চ্যাটবট ‘পার্সোনালিটি’ তৈরি করা। লক্ষ্য হলো, কৃক্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন শুধু অনুবাদের উপ নির্ভর না করে চলে। তার মধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতি ও আঞ্চলিকতার ছোঁয়া দেওয়ার চেষ্টা করতেই এই উদ্যোগ মেটার। আবেদনকারীদের হিন্দি ভাষায় পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি গল্প লেখা ও ক্যারেক্টার ডিজাইনে অন্তত ছয় বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বলেই জানিয়েছে এই সংস্থা।

মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ এমন এক ভবিষ্যৎ কল্পনা করেছেন, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট মানুষের বন্ধুর মতো হয়ে উঠবে। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। এর আগে মেটার চ্যাটবটগুলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ভুয়ো তথ্য ছড়ানো, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছিল মেটা।

আরও পড়ুনঃ গণতন্ত্রের ইতি; ভারতে আর কোনও ভোট হবে না! চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী জ্যোতিষী প্রশান্ত কিনির

ভারতের বিশাল বাজার পৃথিবীর যে কোনও সংস্থার কাছেই লোভনীয়। আর সেই বাজারকে শুধু ব্যবহারকারী হিসাবে দেখছে না মেটা। তারা এর পাশাপাশি ভারতের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে সচেতন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত চ্যাটবট তৈরির চ্যালেঞ্জ নিয়েও ভাবছে। আর এই উদ্যোগ সফল হলে এটি ডিজিটাল ভারতকে অনেকাংশে বদলে দিতে পারে। তবে, যে কোনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে একাধিক ঝুঁকিও জড়িয়ে থাকে। আর সেই ঝুঁকিই এই মুহূর্তে মেটার কাছে একটা দারুণ চ্যালেঞ্জ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন