শিবনাথ প্রধান, সাঁতরাগাছি, হাওড়াঃ
ফ্লেমিঙ্গো পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত পাখিগুলোর মধ্যে একটি।
আরও পড়ুনঃ জাতিগত হিংসায় ফের অগ্নিগর্ভ রাষ্ট্রপতি শাসন চলতে থাকা মণিপুর
আফ্রিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ এবং দক্ষিণ এশিয়ার জলাভূমি অঞ্চলে এটি পাওয়া যায়। ফ্লেমিংগোর সবচেয়ে বড় আকারের প্রজাতির গড় দৈর্ঘ্য ৫ ফুট এবং ভর ৮ পাউন্ড।

এদের ডানার দৈর্ঘ্য ৪ থেকে ৬ ফুট। বড় ফ্লেমিংগো বন্য পরিবেশে ২০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এদের খাদ্যতালিকায় বীজ, শেত্তলা এবং ছোট ছোট মাছ থাকে।
মধ্য আফ্রিকার লবণাক্ত হ্রদ মূলত এদের প্রিয় বিচরণ ক্ষেত্র। বৃষ্টি শুরু হলে হাজার হাজার মাইল পার করে এরা হ্রদে এসে ভিড় করে । এরা মূলত বংশ বৃদ্ধির জন্যই এই হ্রদে আসে ।

আফ্রিকাতে প্রায় ২০ লাখ ফ্লেমিঙ্গো বসবাস করে । যাদের অধিকাংশই জন্ম হয়েছে এই লবণ হ্রদের আশেপাশেই।
আরও পড়ুনঃ হালকা শীত, শিলিগুড়িতে পালটে গিয়েছে ছবি, ব্ল্যাঙ্কেটের বাজারে ধুনকরদের রুজিতে টান
বিশেষ একটি নাচের মধ্য দিয়ে তারা তাদের সঙ্গী নির্বাচন করে। সঙ্গী নির্বাচন হয়ে গেলে তারা নিজেদের মধ্যে ঘর বাঁধে ও ডিম পাড়ে । ডিম পাড়ার পর পুরুষ ও স্ত্রী ফ্লেমিঙ্গো পালা করে তাতে তা দেয় । ডিম পারার ৩০ দিনের মধ্যে জন্ম নেয় নবজাতক ফ্লেমিঙ্গো ।
এরই মধ্যে হ্রদের জল শুকতে থাকে সেই সময় তারা ৫০ কিমি দূরে অন্য জলধারার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করে । নবজাতক ফ্লেমিঙ্গো উড়তে পারে না বলে তারা দল বেঁধে এই পথ টা হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করে । এই যাত্রাপথে আসে নানান বিপদ ।

বাচ্চারা দ্রুত দৌড়াতে পারে না । ফলে পায়ে লবণ জমে যায় । দল থেকে অনেক বাচ্চা পিছিয়ে পড়ে । অনেকের মৃত্যু হয় । অনেকে আবার অসম লড়াই তে জয়লাভ করে









