বোলপুরে তৃণমূল নেতার দখলে থাকা হোটেল থেকে উদ্ধার বোমার পাহাড়। তৃণমূল নেতা ও এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্বামী বাবু দাসের দখলে থাকা হোটেলে রাতভর অভিযান চালালেন দুই থানার ওসি। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে অভিযুক্ত বাবুর খোঁজ এখনও অবধি মেলেনি। যদিও, এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।আগামী ৩ মার্চ শান্তিনিকেতনে দোল, তার আগে কি নাশকতার ছক ? তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে ধরা পড়ল আট সন্দেহভাজন জঙ্গি
বোলপুরের এসডিপিও রিকি আগরওয়াল বলেন, “সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে আমরা টিম গঠন করে তল্লাশি চালাই ৷ দেখি বোমা জাতীয় কিছু মজুত ছিল ৷ যা ঘিরে রেখে বম্ব স্কোয়াড, দমকলকে খবর দিই। কিছু জনকে আটক করা হয়েছে ৷ তদন্ত শুরু হয়েছে।”
কয়েক দিন আগেই শান্তিনিকেতন থানার প্রান্তিক এলাকায় একটি হোটেলে মধুচক্রের ঘটনায় পুলিশ 4 জনকে গ্রেফতার করেছিল ৷ সেইসঙ্গে ৮ জন মহিলাকে উদ্ধার করেছিল ৷ সেই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল-কংগ্রেসের কাউন্সিল সঙ্গীতা দাসের স্বামী বাবু দাসের ৷
এবার সেই প্রান্তিকে তৃণমূল কার্যালয় থেকে ঢিল ছোড়া দূরে একটি হোটেলে হানা দেয় পুলিশ। বোলপুরে এসডিপিও রিকি আগরওয়াল-সহ শান্তিনিকেতন ও পাঁড়ুই থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ৩টি ব্যাগে প্রায় ৫০ টি বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বোমা বাঁধার কাজ চলছিল ওই হোটেলে ৷ প্রসঙ্গত, এই হোটেলটি দীর্ঘ দিন ধরে স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু দাসের দখলে রয়েছে। এখান থেকেই ওই এলাকায় দলীয় কার্যকলাপ হত ৷ দলীয় পতাকা থেকে ব্যানার, ফেস্টুন রাখা, প্রস্তুতি প্রভৃতির কাজকর্ম হত ৷ সেই হোটেল থেকেই উদ্ধার হয় বোমা ৷ এদিন, বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করতে সিআইডি বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। বম্ব স্কোয়াডের প্রতিনিধিরা এসে বোমাগুলি উদ্ধার করে ৷ মোতায়েন ছিল দমকলের ইঞ্জিনও ৷
উল্লেখ্য, আগামী ৩ মার্চ শান্তিনিকেতন দোল ৷ ইতিমধ্যেই প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের ঢল ‘হেরিটেজ’ শান্তিনিকেতনে ৷ তাই এই বোমা বাঁধা ও মজুত কি কোনও নাশকতার ছক ? তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।









