spot_img
Wednesday, 18 February, 2026
18 February
spot_img
HomeকলকাতাSuchitra De: রাজনীতিকে বিদায়; অনাস্থা বিজেমূল সেটিঙে! বাংলা ছাড়ছেন সুচিত্রা?

Suchitra De: রাজনীতিকে বিদায়; অনাস্থা বিজেমূল সেটিঙে! বাংলা ছাড়ছেন সুচিত্রা?

এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাংলার সোশ্যাল মিডিয়া জগতে কিছু বিস্ফোরক মন্তব্য করে ভাইরাল হয়েছিলেন রূপান্তরিত নারী সুচিত্রা দে। রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের নিয়ে বিশেষ করে মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়াতে আলটপকা মন্তব্য করতে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। তার সরস মন্তব্য এবং কটাক্ষ থেকে বাদ পড়েননি টালিগঞ্জের নায়িকারাও। একটা সময় বিরোধী দলনেতার হাত ধরে বাংলার রাজনীতি জগতে এসেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ আরও এক দাপুটে এসএফআই নেতার তৃণমূলে যোগদান সময়ের অপেক্ষা? অভিষেকের সভাতেই তৃণমূলে ‘অভিষেক’ প্রতীক-উরের

যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। কিন্তু হঠাৎই হয়েছে ছন্দপতন। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের মুখে অনেকেই মনে করেছিলেন কোনও বিশেষ রাজনৈতিক ভূমিকাতে সমানে লড়ে যাবেন এই রূপান্তরিত নারী সুচিত্রা। কিন্তু তার আগেই রইল ঝোলা চলল ভোলা বলে রাজনীতি এবং বাংলা ছাড়ছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সুচিত্রা লিখেছেন, তিনি চান সব সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে তাঁর রাজনৈতিক ভিডিওগুলি সরিয়ে দেওয়া হোক।

তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূল দুই দলই পরিকল্পিতভাবে তাঁকে অপমান ও বদনাম করেছে। বিজেপির ওপর তিনি ভরসা করেছিলেন বলেও জানিয়েছেন, কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব নাকি তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সময়ে নীরব থেকেছে। এই অপমান তিনি সহ্য করবেন না বলেও জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও দাবি করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন তাঁকে কটাক্ষ করা হচ্ছিল, তখন কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করা হয়েছে এবং চরিত্রহননের চেষ্টা হয়েছে।

সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ হিসেবে তিনি বলেন, বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে নাকি অন্তর্নিহিত বোঝাপড়া রয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই দুই দল প্রকাশ্যে একে অপরের বিরোধিতা করলেও অন্তরালে পরস্পরকে সহায়তা করে এবং প্রয়োজন হলে একে অপরের বিষয় চেপে যায়। সুচিত্রা জানান, তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন ‘উচ্চতর উদ্দেশ্যে কাজ করার’ লক্ষ্য নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ ‘আপদ বিদায় হচ্ছে!’ ইউনুসকে নিয়ে ‘বিতর্কিত’ তসলিমা

কিন্তু লাগাতার অপমান ও মানহানির কারণে তিনি মানসিকভাবে ক্লান্ত। তাই শান্তি বজায় রাখতে এবং ব্যক্তিগত জীবনকে অগ্রাধিকার দিতে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে লিখেছেন, এখন থেকে তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং আর রাজনৈতিক অশান্তির মধ্যে থাকতে চান না। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই তিনি স্থায়ীভাবে বাংলা ছেড়ে চলে যাবেন। কোথায় যাচ্ছেন বা ভবিষ্যতে কী করবেন, সে বিষয়ে অবশ্য কিছু জানাননি।

এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, সোশ্যাল মিডিয়াকেন্দ্রিক রাজনীতির চাপ ও ব্যক্তিগত আক্রমণের ফলেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। আবার অন্য অংশের মতে, এটি রাজনৈতিক কৌশলও হতে পারে। তবে আপাতত তাঁর ঘোষণাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে ব্যক্তিগত সম্মান ও মানসিক শান্তিকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি রাজনীতির মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়াতে চাইছেন। বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন