Monday, 13 April, 2026
13 April
HomeকলকাতাElection 2026: যুগান্তকারী পদক্ষেপ; জালিয়াতি পুরোপুরি বন্ধ, ভোটকেন্দ্রে ছাপ্পা রুখতে এবার বায়োমেট্রিক?

Election 2026: যুগান্তকারী পদক্ষেপ; জালিয়াতি পুরোপুরি বন্ধ, ভোটকেন্দ্রে ছাপ্পা রুখতে এবার বায়োমেট্রিক?

ভোটারদের পরিচয় নিয়ে পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে বুথের ভেতরে যে প্রায়ই বচসা বা অশান্তি হয়, তা চিরতরে বন্ধ হবে। 

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ভোট চুরি ঠেকাতে পোলিং বুথে আধার, চোখ এবং আঙুলের ছাপের স্ক্যানের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছেন বিজেপি নেতা (BJP Leader) ও আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়। তবে এবার, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় (Election News) স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং জালিয়াতি পুরোপুরি বন্ধ করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে পারে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিতে আঙুলের ছাপ এবং আইরিস স্ক্যানার ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ ‘বার্নল-বোরোলিন রেডি রাখুন!’ কমিশনের পোস্টে টার্গেট তৃণমূল?

এই মর্মে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব তলব করেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। মূলত একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতেই এই নোটিশ জারি করা হয়েছে। শুনানি চলাকালীন আদালত অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সামনেই যে রাজ্যগুলিতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, সেখানে এখনই এই পদ্ধতি কার্যকর করা সম্ভব নয়।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ভোট দেওয়ার আগে ভোটারদের বায়োমেট্রিক ও ফেস রেকগনিশনের জন্য এরজন্য় বিধিতে বড়সড় বদল আনতে হবে। সেই সঙ্গে বিষয়টা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ। এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে।

নির্বাচন কমিশনকে আমাদের কাছে এবিষয়ে তাদের বক্তব্য পেশ করতে হবে। মামলাকারী আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, যদি কোনও রাজ্য সরকার সহযোগিতা না করে, অথবা অর্থ দফতর প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ না করে, তাহলে আপনারা পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তবে এই মুহূর্তে বা এই পর্যায়ে কোনও নোটিস জারি করার প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের গুন্ডাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করব! শাহের হুঁশিয়ারি

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীদের একটি বিশাল অংশকে প্রতি নির্বাচনে প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতে হয়। বর্তমানে ভোটার কার্ড (EPIC) পরীক্ষা করা এবং ১৭এ (17A) রেজিস্টারে সই করানোর চিরাচরিত পদ্ধতিতেই ভোটগ্রহণ চলে।

তবে ভবিষ্যতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হলে তাঁদের কাজের ধরনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে, যেমন- ইভিএম (EVM) পরিচালনার পাশাপাশি বায়োমেট্রিক ও ফেস রিকগনিশন যন্ত্র ব্যবহারের জন্য সরকারি কর্মীদের উন্নত প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে। প্রতিটি ভোটারের বায়োমেট্রিক তথ্য মেলাতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগতে পারে। ফলে বুথের লম্বা লাইন সামলানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ভোট প্রক্রিয়া শেষ করা পোলিং অফিসারদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। অন্যদিকে এর একটি বড় সুবিধা হলো, ভোটারদের পরিচয় নিয়ে পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে বুথের ভেতরে যে প্রায়ই বচসা বা অশান্তি হয়, তা চিরতরে বন্ধ হবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন