সুদানে রাষ্ট্রসংঘের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় মৃত্যু হল ৬ জন শান্তিরক্ষী বাহিনীর। আহত আরও ৮ জন। জানা গিয়েছে ওই ৬ শান্তিরক্ষী বাহিনী সকলেই বাংলাদেশের। এই হামলার ঘটনায় রবিবার মৃতদের নাম সহ পরিচয় প্রকাশ্যে এনেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
আরও পড়ুনঃ বন্ডাই সৈকতে ইহুদিদের উৎসবে এলোপাথাড়ি গুলি! ভাইরাল হত্যাকাণ্ডের ভিডিও
জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুর ৩টে ৪০ মিনিট নাগাদ রাষ্ট্রসংঘের ঘাঁটিতে হঠাৎ ড্রোন হামলা চালায় গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সুদানের আধাসামরিক বাহিনী ‘র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স’ (আরএসএফ)। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৬ জনের।
এদিকে এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস বলেন, ‘সুদানের কাদুগলিতে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর লজিস্টিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার আমরা নিন্দা জানাই। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এটি যুদ্ধাপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। দোষীদের শাস্তি হবে।’
আরও পড়ুনঃ যুবভারতী ঘুরে দেখল মুখ্যমন্ত্রীর তদন্ত কমিটি!
২০২৩ সাল থেকে গৃহযুদ্ধে উত্তপ্ত সুদান। ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীরই দুই জেনারেল- আবদেল আল ফতা আল বুরহান ও জেনারেল মহম্মদ হামদান দাগালো। দুই পক্ষের কেউই সংঘর্ষবিরতি মানছে না।
আবদেল আল ফতা আল বুরহান সুদানের সেনাপ্রধান। পাশাপাশি ২০১৯ থেকে দেশের সর্বোচ্চ শাসনব্যবস্থার ভারপ্রাপ্ত কাউন্সিলের প্রধান। দ্বিতীয় জন অর্থাৎ মহম্মদ হামদান দাগালো দেশের আধাসামরিক বাহিনী ‘র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স’ (আরএসএফ)-এর প্রধান তথা কাউন্সিলের সদস্য।
দুই জেনারেলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার ভঙ্গ, লুট, নৃশংসতা ও ধর্ষণে মদতের অভিযোগ রয়েছে। দুই পক্ষের লড়াইয়ে পশ্চিমের দারফুর প্রদেশে কয়েকশো মানুষ নিহত হয়েছেন। রাজধানী খারতুমেও প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। যুদ্ধের জেরে এখনও পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।









