spot_img
Monday, 2 March, 2026
2 March
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজKarachi: করাচি জুড়ে জারি হাই অ্যালার্ট, সংঘাতের আঁচ পাকিস্তানেও

Karachi: করাচি জুড়ে জারি হাই অ্যালার্ট, সংঘাতের আঁচ পাকিস্তানেও

বিভিন্ন মুসলিম দেশে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন হচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে পাকিস্তান থেকে বড় খবর সামনে এসেছে। করাচি-তে পরিস্থিতি দ্রুত হিংসাত্মক আকার ধারণ করেছে। খামেনির মৃত্যুর খবরে ক্ষুব্ধ জনতা প্রথমে ব্যাপক বিক্ষোভে নামে, পরে করাচিতে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এর দূতাবাসে হামলা চালায়। বিক্ষোভকারীরা দূতাবাস চত্বরে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ শোকের পরিবর্তে উত্তেজনা; খামেনেইর মৃত্যুমিছিল পিটিয়ে ছত্রভঙ্গ করল ভারতীয় সেনা

ঘটনার খবর পেয়ে বিপুল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট হয়।  পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। পাকিস্তানের একটি দৈনিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, পুলিশের পাল্টা অভিযানে অন্তত আটজন বিক্ষোভকারী নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও সরকারি ভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। দূতাবাসের আশপাশে এখনও বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি রয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত করাচি জুড়ে জারি হাই অ্যালার্ট।

বিক্ষোভের একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেই সব ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভকারীরা খামেনির ছবি হাতে নিয়ে আমেরিকা-বিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে ও লাঠিচার্জ করে। আহতদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে করাচির সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ *BiG BreakinG* মৃত খামেনেই, স্বীকার করে নিল ইরান

এদিকে, প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে লাহোর, পেশোয়ার ও রাওয়ালপিন্ডি-সহ পাকিস্তানের অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর মিলেছে। সম্ভাব্য অশান্তি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার ইজরায়েল ও  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একযোগে ইরানের রাজধানী তেহরান-এ হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ওই হামলায় খামেনির বাড়ি ও অফিস টার্গেট করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হামলায় খামেনি, তাঁর মেয়ে ও জামাই-সহ পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করলেও প্রথমে ইরান তা অস্বীকার করেছিল। পরে রবিবার ইরান খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে, যার জেরে ভারত, পাকিস্তান-সহ একাধিক দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন