আমেরিকার অভ্যন্তরে ভারত বিরোধী মুখগুলো একটা কথাই বারবার বলছে সেটা হোলো অন্য কোনো দেশ নয় ভারতই তলায় তলায় ইরান কে হেল্প করছে। এই সব কথাবার্তার একটাই উদ্দেশ্য ভারতকে যেনো তেন প্রকারেন চাপে রাখা। এবং শুধু মুখে নয় কাজে ও শুরু করে দিয়েছে। আমেরিকার বোমারু বিমান চাবাহার পোর্টের আশেপাশে বোমা নিক্ষেপের খবর শোনা যাচ্ছে। কিন্তু চাবাহার পোর্টের কোনো ক্ষতি হয় নি। জয়শঙ্কর সাহেব একটা কথা বলেছেন যে চাবাহার পোর্ট এ এতটুকু আঁচ পড়া মানে ভারত ধরে নেবে আমেরিকা ডেড লাইন ক্রস করে ফেলেছে। সুতরাং আমেরিকা যেনো ভেবেচিন্তে কাজ করে।কারণ চাবাহার ভারতের কাছে শুধু বন্দর নয় এটা ভারতের একটা লাইফলাইন ও। ভারত শুধু মুখে বলেই ক্ষান্ত থাকে নি। তারা হরমুজ প্রণালীর মধ্যে প্রায় ৩০ টা মার্কিন জাহাজ কে ঘিরে দিয়েছে। এবং INS VIKRANTA এর উপর রাফেল কে মিসাইল লাগিয়ে এক্টিভ মোডে রেখে দিয়েছে। বার্তা টা এটাই যে তুমি চাবাহার পোর্ট এ উল্টোপাল্টা করলেই ভারত তার নিজের স্বার্থে।
আরও পড়ুনঃ ফ্লপ ২১ ঘণ্টার আলোচনা, হল না শান্তি কোনও চুক্তি
আমেরিকা চাইছে যেহেতু ইরানের উপর সব অনুমোদন বন্ধ তাই ভারত কোনো ধরনের ব্যবসা যাতে না করে তাদের সাথে। কিন্তু ভারত জানিয়েছে তাদের দেশের স্বার্থে কি করা উচিত সেটা ঠিক করার অধিকার একমাত্র ভারতেরই।
আরও পড়ুনঃ ‘ডান্ডা মেরে ঠান্ডা’ করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে ৭৫ হাজার লাঠি
ভারতের এইরকম আক্রমণাত্মক আচরণ আমারিকার কাছে unexpected ছিল। আপাতত তারা রণে ভঙ্গ দিয়েছে। কারণ তারা বুঝেছে চাবাহার পোর্ট এ এই মুহূর্তে কিছু করতে গেলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ অনিবার্য।
ভারতীয়সেনাবাহিনীর প্রতিটি ইউনিট কে ভারত এক্টিভ থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে থাকা ভারতের সামরিক ঘাঁটিও এক্টিভ করা হয়েছে। সুতরাং সেই সব মানুষদের জন্য কিছু লিখে যান যারা অক্লান্ত পরিশ্রম শুধু নয় জীবনের মায়া ত্যাগ করে শুধুমাত্র আমরা যাতে ভালো থাকি তার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। হরমুজ প্রণালীতে দিনের পর দিন প্রাণটা হাতে নিয়ে বসে আছেন তারা।



