২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, স্টুডিও পাড়ায় ততই চড়ছে রাজনীতির পারদ। জল্পনা শাসকদলের ‘পছন্দের’ তালিকায় এবার ঠাঁই হতে পারে টলিপাড়ার একঝাঁক তারকার। ইমন চক্রবর্তী থেকে সৌমিতৃষা কুণ্ডু, তিয়াসা লেপচা অনেকের নামই ভেসে বেড়াচ্ছে। এর মাঝেই আলোচনার কেন্দ্র অপরাজিতা আঢ্য।
আরও পড়ুনঃ কেরল পেল ‘কেরলম’, বাংলার কপালে কেন শুধু বঞ্চনা? মোদী সরকারকে বেনজির আক্রমণ মমতার!
সদ্য নিজের জন্মদিন পালন করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর জন্মদিনে চিঠি পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানান মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তারপরই কটাক্ষে বিদ্ধ হন অভিনেত্রী। কেউ বলেন, ‘এবার বিধানসভার টিকিট পাকা’। কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিলেন পর্দার ‘লক্ষ্মী কাকিমা’। আনন্দবাজার অনলাইনকে অপরাজিতা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রাজনীতি তাঁর বিষয় নয়, আর ভোটের ময়দানে নামার মতো ‘যোগ্যতা’ও তাঁর নেই।
নেত্রী নন, কেন থাকতে চান অভিনেত্রী হিসেবেই?
তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই অপরাজিতা পরিচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহভাজন এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভাকাঙ্ক্ষী হওয়া সত্ত্বেও কেন সরাসরি রাজনীতিতে নামতে নারাজ তিনি? অভিনেত্রীর বিনয়ী উত্তর, ‘রাজনীতিতে আসতে গেলে যে পড়াশোনার দরকার, তা আমার নেই। আর ওটা আমার প্যাশনও নয়।’ তাঁর মতে, নাচ, গান বা অভিনয়টাই তিনি ভালো বোঝেন, তাই অজানা ক্ষেত্রে পা দিয়ে তিনি নিজেকে হাসির খোরাক করতে চান না।
আরও পড়ুনঃ নষ্ট সরকারি সম্পত্তি, ঝুলছে তালা; আট বছরেও চালু হলো না মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প
সতীর্থদের পথে হাঁটতে নারাজ:
বর্তমানে লাভলী মৈত্র থেকে শুরু করে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো পর্দার দাপুটে অভিনেত্রীরা রাজনীতির আঙিনায় সফল। কিন্তু তাঁদের পথে না হাঁটার সিদ্ধান্তে অনড় অপরাজিতা। তিনি মনে করেন, যাঁদের ওই বিষয়ের ওপর দখল আছে, তাঁরাই কেবল সফল হতে পারেন। অপরাজিতার এই সাফ কথা নেটপাড়ায় বেশ চর্চার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই তাঁর এই সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তির প্রশংসা করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক:
রাজনীতিতে না নামলেও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা আজও অটুট। অপরাজিতা জানিয়েছেন, দল বা রাজনীতির ঊর্ধ্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ব্যক্তিগত। তবে সেই ভালোবাসাকে ভোটের বাক্সে টেনে নিতে তিনি আপাতত প্রস্তুত নন।









