Friday, 10 April, 2026
10 April
HomeকলকাতাPratik Ur Rahman: প্রতিকূলের (প্রতীক-উর) দলবদল পূর্বপরিকল্পিত চিত্রনাট্য নাকি সময়ের দাবি!

Pratik Ur Rahman: প্রতিকূলের (প্রতীক-উর) দলবদল পূর্বপরিকল্পিত চিত্রনাট্য নাকি সময়ের দাবি!

মানুষের কাছে এটি একটি "সাজানো নাটক" হিসেবেই বেশি প্রতিভাত হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য খুব একটা সুখকর নয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রতিকূলের (প্রতীক উর) দলবদল পূর্বপরিকল্পিত চিত্রনাট্য নাকি সময়ের দাবি?

​সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দলবদল কোনো নতুন ঘটনা না হলেও, প্রতিকূলের (Pratikur) তৃণমূলে যোগদান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট এবং ভিডিও Clip থেকে একটি প্রশ্নই বড় হয়ে উঠছে— সবই কি আগে থেকে সাজানো নাটক ছিল?

আরও পড়ুনঃ ঘুরে গেল রাজ্যের রাজনীতির বাইনারি! BJP-র স্ক্রিন টাইম শূন্য, TRP-তে শুধুই CPM-TMC

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও জনমনে সংশয়

​তৃণমূলে যোগ দেওয়ার আগে পর্যন্ত প্রতিকূলের (প্রতীক উর) রাজনৈতিক অবস্থান ছিল বর্তমান শাসকদলের কট্টর সমালোচকের। কিন্তু যোগদানের মুহূর্ত থেকে অনেক সমালোচকই দাবি করছেন যে, এই পটপরিবর্তন রাতারাতি হয়নি। এটা ছিল ​দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।

গত কয়েক মাসের গতিবিধি কি ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে তিনি ঘাসফুল শিবিরের পথে পা বাড়াবেন?

​ যে বিষয়গুলো নিয়ে তিনি আগে সোচ্চার ছিলেন, দলবদলের পর সেই আদর্শের কী হবে?

বিরোধীদের দাবি, সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করে আসলে নিজের রাজনৈতিক আখের গোছানোর জন্য একটি “নাটক” তৈরি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ তরুণ কমরেডদের হলটা কী? ঝাঁকের কই না হলেই কি বামেদের বিপদ!

নাটক নাকি রাজনৈতিক কৌশল?

​রাজনীতিতে কোনো কিছুই ধ্রুবক নয়। তবে প্রতিকূলের (প্রতীক উর) ক্ষেত্রে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, তার প্রতিবাদের ভাষা এবং পরবর্তীকালে শাসকদলে অন্তর্ভুক্তি— এই দুইয়ের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম যোগসূত্র আগে থেকেই ছিল।

প্রশ্ন উঠতেই পারে “সবকিছু কি প্ল্যান ছিল?” এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তা ইঙ্গিত দেয় যে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাসের সংকট তৈরি হয়েছে।

​যদি এই দলবদল আগে থেকেই ঠিক করা থাকে, তবে তা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির “সুযোগ সন্ধানী” সংস্কৃতিরই বহিঃপ্রকাশ। আর যদি এটি পরিস্থিতির চাপে পড়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়, তবে প্রশ্ন ওঠে তার আদর্শিক দৃঢ়তা নিয়ে। তবে সাধারণ মানুষের কাছে এটি একটি “সাজানো নাটক” হিসেবেই বেশি প্রতিভাত হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য খুব একটা সুখকর নয়।

​প্রতিকূলের (প্রতীক উর) তৃণমূলে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা ছিল নাকি সুদূরপ্রসারী কোনো পরিকল্পনার অংশ, তার উত্তর হয়তো ভবিষ্যতেই পাওয়া যাবে। তবে আপাতত সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো প্রশ্নগুলো তাকে দীর্ঘ সময় তাড়া করে বেড়াবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন