দীপু দাসের পরে খোকন দাস৷ পড়শি বাংলাদেশে ফের বলি সে দেশের আরেক সংখ্যালঘু নাগরিক৷ উন্মত্ত জনতা তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পরে প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন৷ তারপর গুরুতর বার্ন ইনজুরি নিয়ে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে৷ হল না শেষরক্ষা৷ চারদিনের লড়াই শেষে আজ শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বছর পঞ্চাশের খোকন৷
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ঘুরে গেল খেলা! BNP-তে বিরাট পরিবর্তন
গত ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার তিলোই গ্রামে তাঁকে মারধর, কোপানোর পরে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় স্থানীয় উন্মত্ত জনতা৷ খোকন স্থানীয় এলাকায় একটি ওষুধের দোকান চালাতেন৷
গত ৩১ ডিসেম্বর দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি৷ পথে তাঁকে ঘিরে ধরে একদল লোক৷ চলে বেধড়ক মারধর, ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানে হয়৷ তারপর গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন৷ হামলার পরে অভিযুক্তেরা পালিয়ে যায়৷
আরও পড়ুনঃ পর্যটন শহরে নজিরবিহীন প্রতিবাদ! শিলিগুড়িজুড়ে ‘বয়কট বাংলাদেশ’
প্রাথমিক ভাবে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে বেঁচেছিলেন খোকন৷ তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে৷
খোকন দাসের স্ত্রী সীমা দাস জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন৷ উনি বলেন, ‘‘আমি জানি না কারা এটা করেছে৷ আমরা বিচার চাই৷ আমার স্বামী সাদাসিধে মানুষ ছিলেন৷ কারও কোনও ক্ষতি করেননি৷’’









