spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজKim Jong Un: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু? পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ!

Kim Jong Un: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু? পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ!

কথাতেই আছে আমেরিকার ছলের অভাব হয় না। সারা বিশ্ব যত মার্কিন নির্ভরতা কাটিয়ে উঠছে, ততই চাপ বাড়ছে আমেরিকার উপরে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগল বলে? যুদ্ধের হুঁশিয়ারি এবার উত্তর কোরিয়ার প্রধান কিম জং উনের। কড়া ভাষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিম জং উন। আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় হামলা ও প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে বন্দি করে আনার পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্বজুড়ে। ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া, চিন, কিউবা থেকে শুরু করে আরও অনেক দেশ। মার্কিন হানার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ইউরোপের মাটিতেও। আর এই পরিস্থিতিতেই  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের উদ্দেশে উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উনের কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি,‘আমার বন্ধুকে ছেড়ে দাও, নইলে…’

আরও পড়ুনঃ ‘রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে…’ ভেনেজুয়েলা আবহে ভারতকে বড় হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

কিম জং উনের এই বার্তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বলাই বাহুল্য যে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিজের ‘বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছেন কিম জং উন। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং-উন যুক্তরাষ্ট্রকে খোলা হুমকি দিয়ে বলেছেন, এই ধরনের কাজ গোটা বিশ্বকে সংঘাতের মুখে ঠেলে দিতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে অবিলম্বে নিকোলাস মাদুরোর বর্তমান অবস্থান প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। কিম জং উনের স্পষ্ট বার্তা, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে, নচেৎ এর “গুরুতর আন্তর্জাতিক পরিণতি” হবে। যা যুদ্ধের হুঁশিয়ারি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের মধ্যেই উত্তর কোরিয়া তাদের সামরিক কার্যকলাপও বাড়িয়েছে। পূর্ব উপকূলের জলে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। যা কপালে ভাঁজ ফেলেছে কৃটনৈতিক থেকে সামরিক বিশেষজ্ঞদের। আর এরপরই  দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান তার সতর্ক নজরদারিও বাড়িয়েছে। ওদিকে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হানার কড়া নিন্দা করেছে রাশিয়াও। এক বিবৃতিতে রুশ বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে “সশস্ত্র আগ্রাসন” চালিয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। এমনকি এই হামলার পিছনে আমেরিকা যে যুক্তি দিয়েছে, তা ভিত্তিহীন বলেও জানিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার মতে, এই পদক্ষেপ কূটনীতির পরিবর্তে আদর্শগত শত্রুতার ফল। আলোচনার মধ্যে দিয়ে সমস্যা সমাধানের উপর জোর দিয়েছে রাশিয়া।

আরও পড়ুনঃ প্রশ্নের মুখে আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্ব! ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্ক

প্রসঙ্গত, কথাতেই আছে আমেরিকার ছলের অভাব হয় না। সারা বিশ্ব যত মার্কিন নির্ভরতা কাটিয়ে উঠছে, ততই চাপ বাড়ছে আমেরিকার উপরে। এর আগে  ধ্বংসাত্মক অস্ত্র জড়ো করেছেন সাদ্দাম হোসেন, এই যুক্তিতে ইরাকে আক্রমণ চালিয়েছিল আমেরিকা। এবার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো নাকি আমেরিকায় ড্রাগ পাচার করছে, এই যুক্তি দেখিয়ে ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ চালায় আমেরিকা। ঘরে ঢুকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স। অভিযোগ, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাঠাচ্ছে, ভারী অস্ত্র ও বিপজ্জনক সরঞ্জাম মজুত করছে। মাদক ব্যবসার টাকা দিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্য করছে।

যদিও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতো ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণের পিছনে শুধু মাদক বা কোকেন নয়, রয়েছে অন্য অনেক কারণ। রয়েছে অন্য সমীকরণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আক্রমণের আসল কারণ হল ‘পেট্রো-ডলার’ ব্যবস্থা সুরক্ষিত করা। প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেসের সময় থেকেই ভেনেজুয়েলা পুরোনো পেট্রো-ডলার ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করতে শুরু করেছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিতে পারেনি। ভেনেজুয়েলার তৈল সম্পদ দখল ও নিয়ন্ত্রণ করাই ট্রাম্পের উদ্দেশ্য। কারণ, সম্প্রতি ট্রাম্প বলেছেন যে, কয়েক বছর আগে সম্পদ জাতীয়করণের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা আমেরিকার ‘তেলের অধিকার’ কেড়ে নিয়েছিল। ট্রাম্পের এই কথা থেকেই বোঝা যায় তিনি ভেনেজুয়েলার তৈল সম্পদের উপর আবারও মার্কিন কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চান।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন