মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের বলি হয়েছেন বহু ভারতীয়। একটি বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্র। একইসঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র।
আরও পড়ুনঃ ভারত পাক সীমান্তে উত্তেজনা! বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারত-পাক সীমানায় ভেঙে পড়ল রহস্যময় বিমান
বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ রাখছেন। নিবিড়ভাবে বিষয়টা পর্যবেক্ষণও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ওমান, কুয়েতের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাহারিনের রাজার সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদী।
বিদেশমন্ত্রক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার ও সংযম বজায় রাখতে হবে। ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভারত সরকার স্বীকার করে নিয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কিছু ভারতীয় নিহত হয়েছেন। এছাড়া বহু ভারতীয় নিখোঁজও রয়েছেন বলে খবর।
আরও পড়ুনঃ আয়াতোল্লাহ কি সত্যিই ভারতের বন্ধু ছিলেন! না কি এটা কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার বানানো গল্প?
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি বিবৃতি জারি করেছিল বিদেশমন্ত্রক। সেখানেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারত। একইসঙ্গে ভারত সকল পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমনে পরামর্শ দিয়েছিল। নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিবৃতি জারি করল বিদেশমন্ত্রক।
পূর্ব বিবৃতির উল্লেখ করে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত আগেও নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সংঘাত তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। এরপরই বহু ভারতীয় নাগরিকদের মৃত্যুর কথা স্বীকার করে নেয় সরকার। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গত কয়েকদিনে এই ধরনের হামলার ফলে ইতিমধ্যেই কিছু ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন… স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থমকে গিয়েছে। ধ্বংসলীলা চলছে। মৃত্যু বেড়েছে। ভারতীয় নাগরিকের ক্ষতি হয় বা বাণিজ্যে প্রভাব পড়ে কিংবা জ্বালানি সরবরাহকে প্রভাবিত করে এমন ঘটনাগুলিকে ভারত কখনওই উপেক্ষা করতে পারে না।









