spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
HomeদেশJ&K: মৃত্যু ৮, এবার শ্রীনগরে থানার মধ্যেই বিস্ফোরণ

J&K: মৃত্যু ৮, এবার শ্রীনগরে থানার মধ্যেই বিস্ফোরণ

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

থানার ভেতরেই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরণ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৮ জনের।

শ্রীনগরের নওগামে পুলিশ স্টেশনের ভেতরেই বাজেয়াপ্ত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরণ হয়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৭ জন। আহতের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, আহতদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভারতীয় সেনার ৯২ বেস হাসপাতালে।

আরও পড়ুনঃ লক্ষ্য এবার বাংলা, বিহারে জয়ের গন্ধে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

জম্মু কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, হতাহতের মধ্যে অধিকাংশই পুলিশকর্মী এবং ফরেন্সিক দলের সদস্য। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত করেছিল জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ। সূত্রের খবর,শুক্রবার রাতে, থানার ভিতরে ওই বিস্ফোরক পরীক্ষা করে দেখছিলেন ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (FSL) দলের সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পুলিশ কর্মীরাও। সেই সময়েই এই বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়েই সেখানে আসেন পদস্থ পুলিশ আধিকারিক এবং দমকলের কর্মীরা।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টা ২০মিনিট নাগাদ দক্ষিণ শ্রীনগরে নওগাম থানার মধ্যেই ওই শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। নওগাম থানার কমপ্লেক্সের মধ্যে এই বিস্ফোরণের জেরে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে তা আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

প্রসঙ্গত, দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণের ঠিক আগে হরিয়ানার ফরিদাবাদ এলাকা থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। এই ঘটনার তদন্ত করছে নওগাম থানার পুলিশ। কারণ ফরিদাবাদ মডিউল নিয়ে প্রথম এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল নওগাম থানায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, কী কারণে এই বিস্ফোরণ তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে আধিকারিকদের মতে, দুর্ঘটনাবশত এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুনঃ ৩৪ বছর টানা শাসন, বর্তমানে কার্যত রাজনৈতিক প্রান্তে দাঁড়িয়ে; পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমে সহ বামেদের পুনরুত্থান কি সম্ভব?

সোশ্যাল মিডিয়াতে সঙ্গে সঙ্গেই ছড়িয়ে পড়ে এই বিস্ফোরণের ছবি। প্রাথমিক তথ্যে জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণের জেরে বেশ কয়েকটি গাড়ি আগুনে পুড়ে গিয়েছে। থানার ভবনের কিছু অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক এলাকায় পাওয়া যায় জৈশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের পোস্টার। সেই পোস্টারের সূত্র ধরেই চিকিৎসক এবং উচ্চ-শিক্ষিত ব্যক্তিদের জঙ্গি-মডিউলের কথা প্রকাশ্যে আসে। এই পোস্টারের নিরাপত্তা রক্ষী এবং কাশ্মীরের বাইরে বড় ধরনের হামলা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। নওগাম থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদিল আহমেদ নামে এক চিকিৎসককে। এর জেরেই হোয়াইট কলার জঙ্গি নেটওয়ার্ক-এর সন্ধান পাওয়া যায়। গত সোমবার ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক। তার পরেই সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে বিস্ফোরণ হয়। তাতেই মৃত্যু হয় ১৩ জনের।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন