কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
“চিরকাল রেলায় আছে থাকবে মোহনবাগান…”
ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে মেরিনার্সদের লাল গোলাপের তোড়ার মতো ‘জয়’ উপহার দিল মোহনবাগান । যুবভারতী হয়ে উঠল মোহনভারতী। টেম্পো হোক বা বাইক কিংবা বাস, যুবভারতীতে মেরিনার্সদের যাওয়াটা সার্থক হল।
আরও পড়ুনঃ রাত পেরলেই শিবরাত্রি; ভিড় সামলাতে হাওড়া-তারকেশ্বর রুটে বিশেষ ট্রেন
জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে যুবভারতীতে শুরু হয়ে গেল বহু প্রতীক্ষিত ইন্ডিয়ান সুপার লিগ বা আইএসএল। জোড়া গোলে কেরল বধ করল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান।
ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করে কেরলকে নাস্তানাবুধ করে দেয় সার্জিও লোবেরার ছেলেরা।
আরও পড়ুনঃ বসন্ত জাগ্রত দ্বারে! ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস নয়; বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব রুদ্ধদ্বারেই
৬ মিনিটের মাথায় সবুজ মেরুনের সামনে গোলের সুযোগ ছিল। বক্সের বাইরে ডান দিক থেকে জোরালো শট মারেন মোহনবাগানের প্রাণভোমরা দিমিত্রি পেত্রাতোস। তবে তা সেভ করে দেন কেরলের গোলকিপার। ১২ মিনিটেও প্রায় একই চিত্র। বক্সে ডিফেন্ডারদের জটলার মাঝে বল পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ মেরিনার্সদের প্রিয় দিমি। মাঝমাঠে বলের দখল রাখতে বার বার ব্যর্থ হচ্ছিল কেরল। ৩১ মিনিট নাগাদ সরাসরি গোলে শট নেন লিস্টন কোলাসো। যদিও দারুণ সেভ দেন কেরলের গোলকিপার।
অবশেষে ৩৬ মিনিটে এল কাঙ্খিত গোল। বক্সে ঢুকে স্কোয়ার পাস বাড়ান দিমিত্রি পেত্রাতোস। সেই বল ধরে গোল করেন জেমি ম্যাকলারেন। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে সবুজ মেরুন। দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক বার গোলের চেষ্টা করেও গোল করতে পারেনি কেরল। দ্বিতীয়ার্ধের ইতিরিক্ত সময়ে অনিরুদ্ধ থাপার ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করেন পরিবর্ত হিসেবে নামা টম আলড্রেড। কার্যত কেরলের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন তিনি। স্কোরলাইন ২-০।









