spot_img
Thursday, 12 February, 2026
12 February
spot_img
HomeকলকাতাDA Case: নবান্ন ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে! ডিএ বকেয়া মেটাতে...

DA Case: নবান্ন ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে! ডিএ বকেয়া মেটাতে সময় চাইছে রাজ্য

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের উচ্চস্তরের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ নিচ্ছেন

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ ২৫ শতাংশ অবিলম্বে পরিশোধের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য নবান্ন ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে এমনই জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি একটি রিপোর্টে

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের উচ্চস্তরের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ নিচ্ছেন, যাতে রিভিউ পিটিশন দায়েরের যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা তৈরি করা যায়।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানায়, তাহলে রিভিউ পিটিশনের যুক্তি হিসেবে বলা হতে পারে যে ২০০৯ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ভিন্ন ছিল।

আরও পড়ুনঃ শোকস্তব্ধ সংবাদমহল, প্রয়াত দূরদর্শনের প্রবীণ সংবাদপাঠিকা সরলা মহেশ্বরী

এই সময়কালে জেলা থেকে সচিবালয় পর্যন্ত কর্মচারীরা একাধিক দপ্তরে কাজ করেছেন। ফলে বেতন কাঠামো এবং ডিএ হিসাবের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রতি বছর সরকারি কর্মচারীদের বেতন বা বেসিক পে ন্যূনতম ৩ শতাংশ DA) বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই অনুযায়ী, মূল বেতন এবং প্রাপ্য ডিএ–ও পরিবর্তিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন সময়ে ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রদত্ত ডিএ একই হারে দেওয়া হয়নি। ফলে এই পরিমাণ বকেয়া পরিশোধের হিসাব করা একটি বড় ও জটিল কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নবান্ন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই হিসাব নিকেশের জটিলতা এবং বছরের ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন বেতন বৃদ্ধি ও ডিএ হার বিবেচনা করে, বকেয়া পরিশোধের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। শুধুমাত্র গত দশকের মধ্যে একাধিক বেতন কাঠামোর পরিবর্তন, বিভিন্ন দপ্তরে স্থানান্তর এবং ডিএ হার DA) পরিবর্তন এই প্রক্রিয়াকে জটিল করেছে। রাজ্য প্রশাসন মনে করছে, দ্রুত বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ কার্যকর করা গেলে বড় অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে, বকেয়া হিসাবের সঠিকতা নিশ্চিত না করে সরাসরি ২৫ শতাংশ পরিশোধ করা হলে, ভুল হিসাবের কারণে পরবর্তী আর্থিক বিতর্ক এবং অভিযোগের সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। তাই যথাযথ সময় নিয়ে হিসাব-নিকাশ করে বকেয়া পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন