spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeদেশ26/11: পাকিস্তানের ক্ষমার অযোগ্য চক্রান্তের শাস্তি হয়নি ১৭ বছরেও

26/11: পাকিস্তানের ক্ষমার অযোগ্য চক্রান্তের শাস্তি হয়নি ১৭ বছরেও

আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন খোদ ২৬/১১ হামলার গোপন বৈঠকে যোগ দিতে মানশেরাতে এসেছিলেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এবং আন্তর্জাতিক গোয়েন্দাদের বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্টেই প্রমাণ মিলেছে মুম্বইয়ের জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের সরাসরি যোগ ছিল। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বরের ওই হামলায় ১৭৫ জনের মৃত্যু এবং ৩০০ জনের বেশি জখম হন। তদন্তে প্রকাশ, এই হামলার পিছনে ছিল পাকিস্তানের চর সংস্থা আইএসআই এবং আল কায়েদা। ৬৯ পাতার ওই বিস্তারিত রিপোর্টে আইএসআইয়ের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তার লেজুড় ছিল লস্কর-ই-তোইবা। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, আইএসআইয়ের ‘এস’ ব্রাঞ্চ এই হামলার ছক কষেছিল।

আরও পড়ুনঃ হাত-পা ছিটকে পড়ল ৫০ ফুট দূরে, রামপুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অক্সিজেন সিলেন্ডার বিস্ফোরণ

ব্রিটিশ সাংবাদিক ক্যাথি স্কট-ক্লার্ক ও অ্যাড্রিয়ান লেভির লেখা ‘দ্য এক্সাইল’ নামে বইতে এই হামলায় সরাসরি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী চক্রের যোগ ছিল। বইতে লেখা হয়েছে, লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের দুই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠের দাবি, আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন খোদ ২৬/১১ হামলার গোপন বৈঠকে যোগ দিতে মানশেরাতে এসেছিলেন। সাংবাদিকদ্বয়ের দাবি, ওই বৈঠকটির আয়োজক ছিল লস্কর, দেখভালের দায়িত্বে ছিল আইএসআইয়ের ‘এস’ উইং। এবং আর্থিক মদত জুগিয়েছিল আল কায়েদা। ওসামাকে আমেরিকা খুঁজে বের করে মারার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, হাফিজের সঙ্গে লাদেনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যোগাযোগ ছিল।

এই দাবিকে আরও জোরাল করে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির প্রাক্তন প্রধান তারিখ খোসার একটি লেখায়। ২০১৫ সালে ডন সংবাদপত্রে উত্তর-সম্পাদকীয়তে তিনি স্বীকার করে নেন যে, ১০ জন জঙ্গিই লস্করের সদস্য ছিল। খোসা আরও লেখেন, পাক সিন্ধু প্রদেশের জঙ্গি তালিম শিবির থেকে সংগ্রহ করা প্রত্যেকের ডিএনএ টেস্টেই একথার প্রমাণ মেলে। করাচির লস্করের কন্ট্রোল রুম থেকে হামলার নির্দেশ গিয়েছিল এবং তারাই জঙ্গিদের ভারতে ঢোকার ভুটভুটি জোগাড় করে দিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ দুরন্ত সত্যই দুরন্ত; সিবিআইয়ের জালে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুরন্ত

ভারতে এই জঙ্গিদের মদত জুগিয়েছিল অন্ধকার জগতে বাদশা দাউদ ইব্রাহিম। যে ১৯৯৩ সালের মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মূল পান্ডা ছিল। দাউদের গ্যাংই এই জঙ্গিদের এখানে ঢোকার ব্যবস্থা পাকা করে দিয়েছিল বলে তদন্তে লেখা আছে। দাউদের শাগরেদরাই আজমল কাসব ও তার সহযোগীদের ডকে ঢুকতে সাহায্য করে। উপকূল রক্ষী বাহিনীর নজর এড়িয়ে তাদের কোলাবার বড়ওয়ার পার্ক এলাকায় নামানো হয়। তারাই ভারত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অপরিচিত জঙ্গিদের কাফে লিওপোল্ড, ছাবাড হাউস, তাজমহল প্যালেস হোটেল ও ছত্রপতি শিবাজি স্টেশনে পৌঁছে দেয়।

এত কিছুর পরেও ১৭ বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু ভারতের সবথেকে নৃশংস জঙ্গি হানার আতঙ্ক দেশবাসীর মন থেকে মুছে যায়নি। মূল চক্রীদের এখনও সেভাবে নির্দিষ্ট করে শাস্তি দেওয়া যায়নি। কেবলমাত্র হানাদার এক জঙ্গি কাসবের ফাঁসি হয়েছে মাত্র। মূল পান্ডারা এখনও রহস্যের অতলেই রয়ে গিয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন