দৃশ্যমানতা কম থাকায় কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করতে হয়েছিল। পরে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গন্তব্যে রওনা দিতেই বিপত্তি। আকাশে উড়ার পরই বিমানের নাকে ধাক্কা মারল পাখি। তবে পাইলটের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল। দ্রুত অবতরণ করানো হল বিমানটিকে। স্বস্তির শ্বাস নিলেন ১৮০ জন যাত্রী।
আরও পড়ুনঃ শীতের মনোরম আমেজ, উত্তরে হওয়াতেও আজ সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রা
কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার হায়দরাবাদ থেকে ১৮০ জন যাত্রীকে নিয়ে রাঁচির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ইন্ডিগোর একটি বিমান। তবে রাঁচিতে প্রতিকূল আবহাওয়া ও দৃশ্যমানতা কম থাকায় রাঁচি বীরসা মুন্ডা বিমানবন্দরে অবতরণ করানো যায়নি বিমানটিকে। তখন বিমানটিকে ঘুরিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়।
এরপর রাঁচির অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হলে বিমানটি কলকাতা বিমানবন্দর থেকে রাঁচির উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে উড়ানের পরই বিমানের নাকে পাখির ধাক্কা লাগে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানের নাকটি। পাইলট তৎপরতার সঙ্গে এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুনরায় বিমানটিকে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করান।
আরও পড়ুনঃ সকাল-সন্ধ্যায় ঠান্ডার আমেজ, বাজারে ঢুকলেই বাঙালির সবজির ঝাঁঝালো দামে পকেটে কাঁটা
জানা গিয়েছে, পাখির ধাক্কায় বিমানের নাকের মধ্যে থাকা রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিমানের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত মেরামতি শুরু করেন। কিন্তু, মেরামতি না হওয়ায় ১৮০ জন যাত্রীকে নিয়ে রাঁচি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় অন্য একটি বিমান। ক্ষতিগ্রস্ত ইন্ডিগো বিমানটি কলকাতা বিমানবন্দরে হ্যাঙ্গারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেরামতির জন্য।
পাখির ধাক্কায় বিমানের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রায়ই সামনে আসে। কিছুদিন আগেই আগরতলা থেকে কলকাতাগামী একটি বিমানে পাখির ধাক্কা লেগেছিল। আগরতলা থেকে উড়ানের পরই পাখির সঙ্গে ধাক্কায় বিমানের বাম দিকের ইঞ্জিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিপদ বুঝেই পাইলট তৎক্ষণাৎ বিমানটিকে আগরতলা বিমানবন্দরে অবতরণ করিয়েছিলেন।









