spot_img
Monday, 9 March, 2026
9 March
spot_img
HomeদেশPM Modi: 'ক্ষমতার অহঙ্কারের শীঘ্রই পতন হবে', গতকাল রাষ্ট্রপতির ‘অপমান’ নিয়ে আজ...

PM Modi: ‘ক্ষমতার অহঙ্কারের শীঘ্রই পতন হবে’, গতকাল রাষ্ট্রপতির ‘অপমান’ নিয়ে আজ মহিলা দিবসে দ্বিতীয় বার তৃণমূলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অপমান’ করার অভিযোগ তুলে ফের রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর অনুষ্ঠান বিতর্কে আবারও রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এই ঘটনাকে সংবিধানের অপমান বলে দাবি করেছেন। রবিবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দিল্লিতে প্রায় ৩৩,৫০০ কোটি টাকার বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রোটোকল লঙ্ঘনের জন্য পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন।

আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপতিকে ‘অসম্মান’; এবার বড় অ্যাকশনের পথে ভারত সরকার!

জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ দেশ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করছে, এবং গতকাল পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চরমভাবে অপমান করেছে। দ্রৌপদী মুর্মু সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একটি প্রধান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলায় গিয়েছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানোর পরিবর্তে, তৃণমূল কংগ্রেস এই পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বয়কট করেছে।

এটি সংবিধানের অপমান

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু নিজে আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে এসেছেন এবং সর্বদা তাদের উন্নয়নের জন্য উদ্বিগ্ন। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার অব্যবস্থাপনার জন্য সেই কর্মসূচি পরিত্যাগ করেছে। এটি কেবল রাষ্ট্রপতির অপমান নয়, ভারতের সংবিধানেরও অপমান। এটি সংবিধানের চেতনার অপমান। এটি গণতন্ত্রের মহান ঐতিহ্যেরও অপমান। এই আচরণ সংবিধানের চেতনার পরিপন্থী।

আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূল সরকার সব সীমা পার করেছে’; ফুঁসে উঠলেন মোদী

ক্ষমতার পতন হবে

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের দেশে বলা হয় যে একজন ব্যক্তি যতই শক্তিশালী হোক না কেন, অহংকার শেষ পর্যন্ত তাদের ধ্বংস করে দেয়। আজ, দেশের রাজধানী থেকে, আমি আপনাদের সকলের কাছে আবেদন করছি যে তৃণমূল কংগ্রেসের নোংরা রাজনীতি এবং ক্ষমতার অহংকার, যা একজন উপজাতি রাষ্ট্রপতির মর্যাদাকে অপমান করেছে, তা শীঘ্রই পতন হবে। পশ্চিমবঙ্গের সজাগ মানুষ একজন নারী, একজন উপজাতি, দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপমান করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে কখনও ক্ষমা করবে না। দেশও তাদের কখনও ক্ষমা করবে না। দেশের উপজাতি সম্প্রদায় তাদের কখনও ক্ষমা করবে না। দেশের মহিলারা তাদের কখনও ক্ষমা করবে না।”

তৃণমূলের পাল্টা দাবি, প্রধানমন্ত্রী অনেক আগেই রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেছেন, আর এখন বাংলার ভোটের আগে রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছেন। তৃণমূলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “সংসদ ভবন উদ্বোধনের সময় উনি রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানাননি। সেটা ছিল গণতন্ত্রের কালো দিন। আর উনি এখন ভোটের আগে রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতির কারণে ব্যবহার করছেন, যা এর আগে কখনও হয়নি।”

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন