spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
HomeকলকাতাKolkata: অনেকেই কলকাতার ফুটপাথে কাঠ পুড়িয়ে আগুন পোহান; শীতের রাতে আগুন জ্বালানো...

Kolkata: অনেকেই কলকাতার ফুটপাথে কাঠ পুড়িয়ে আগুন পোহান; শীতের রাতে আগুন জ্বালানো নিয়ে চুপ পুলিশ প্রশাসন

শহরের যেখানে–সেখানে আগুন জ্বালানো বন্ধ করতে পুলিশের দ্বারস্থ হয় পুরসভা। তবে সেই উদ্যোগই সার, শীতের রাতে আগুন জ্বালানো নিয়ে নজরদারির অভাব চোখে পড়ছে সর্বত্রই।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

গত বছর শীতেই কলকাতার সব থানাকে চিঠি দিয়েছিল পুরসভার পরিবেশ বিভাগ। সেই চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছিল, শীতের রাতে যেখানে–সেখানে আগুন ধরানো হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিক পুলিশ। শীতের রাতে বা ভোরে, অনেকেই কলকাতার ফুটপাথে কাঠ পুড়িয়ে আগুন পোহান।

আরও পড়ুনঃ মেলো টি ফেস্টে দার্জিলিং-এ আগাম ক্রিসমাসের মেজাজ

অভিযোগ অনেক দোকানদার দোকান বন্ধ করার সময়ে দোকানের বর্জ্যে আগুন দেন। এতে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি হয়। দূষণের নিরিখে দিল্লির কাছাকাছিই রয়েছে কলকাতা। তাই শহরের যেখানে–সেখানে আগুন জ্বালানো বন্ধ করতে পুলিশের দ্বারস্থ হয় পুরসভা। তবে সেই উদ্যোগই সার, শীতের রাতে আগুন জ্বালানো নিয়ে নজরদারির অভাব চোখে পড়ছে সর্বত্রই।

কলকাতা পুরসভার পরিবেশ বিভাগের মেয়র পারিষদ স্বপন সমদ্দার বলেন, ‘এই বছরও রাতে আগুন জ্বালনো বন্ধ করতে ব্যবস্থা নিতে সব থানাকে চিঠি দেওয়া হবে।’ তিনি জানান, পরিবশে দূষণ রুখতে শীতের রাতে যেখানে–সেখানে আগুন জ্বালানো বন্ধ করতে পুলিশের সঙ্গে যৌথ পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছে পুরসভা।

পরিবেশ সংগঠন, সবুজ মঞ্চের অন্যতম কর্তা তথা পরিবেশকর্মী নব দত্ত জানান, শীত এলেই সাধারণ মানুষের মধ্যে কাঠ, প্লাস্টিক–সহ নানা বর্জ্যে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এতে বাতাসে কার্বনের পরিমাণ বেড়ে যায় অত্যাধিক মাত্রায়। এর প্রভাব পড়ে স্বাস্থ্যে। তাই শীতে এলে প্রবীণদের সর্দি–কাশির সমস্যা বাড়ে।

আরও পড়ুনঃ আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে জেলা জুড়ে যত্রতত্র রমরমিয়ে চলছে অবৈধ মদের ব্যবসা

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের মুখ্য উপদেষ্টা তথা চিকিৎসক তপনকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘শীতের রাতে যে সব জিনিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, সেগুলি সম্পূর্ণ পোড়ে না।

আংশিক পোড়ার কারণে বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড অতিরিক্ত মাত্রায় মেশে। তার জন্যই শীতে শ্বাসকষ্টের মতো রোগ বাড়ে।’ পুরসভার পরিবেশ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, যেখানে–সেখানে আগুন জ্বালানো বন্ধ করতে শহরের সব কাউন্সিলারকে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হবে পুরসভার তরফে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন