শহরের বুকে বড়সড় অস্ত্র পাচারের ছক ভেস্তে দিল লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। কসবা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ-সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের গুণ্ডাদমন শাখা। এই ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ নজরে ৫ জেলা, ২ মার্চ ঘোষণার সম্ভাবনা! ৩ দফায় বাংলায় বিধানসভা ভোট
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম মহম্মদ ইশতিয়াক বয়স ৩৮, বিহারের গয়া জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল, বিহার–ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পেরিয়ে কলকাতায় ঢুকতে চলেছে বেআইনি অস্ত্রের একটি বড় চালান। সেই গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতেই সক্রিয় করা হয় বিহার ও কলকাতার একাধিক সোর্স নেটওয়ার্ক। নজরদারির মধ্যেই গোয়েন্দা রাডারে উঠে আসে ইশতিয়াকের নাম। জানা যায়, সে রাতের বাসে বিহার থেকে কলকাতায় এসে অটো বা ট্যাক্সিতে চেপে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছিল।
আরও পড়ুনঃ ভারতের ২ ন্যানোমিটার চিপ; নীরবে বদলে যাচ্ছে দেশের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ
সেই অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাসবিহারী কানেক্টর এলাকায় সাদা পোশাকে ওত পেতে থাকে গুণ্ডাদমন শাখার একাধিক টিম। সন্দেহভাজন ঠিক কোন অটো বা ট্যাক্সিতে আসবে তা স্পষ্ট না থাকায়, কয়েক ঘণ্টা ধরে একের পর এক যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত গড়িয়াহাট থেকে বাইপাসগামী একটি অটো আটক করা হলে তাতে থাকা যাত্রীর মালপত্র তল্লাশি করতেই চমকে যান আধিকারিকরা।
অটো থেকে উদ্ধার করা হয় ৩টি সিঙ্গল-শট রিভলভার, ২টি সিক্স-চেম্বার রিভলভার, ১টি ৭ এমএম পিস্তল এবং ১১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, শহরের কোনো অপরাধী গোষ্ঠীর হাতে এই অস্ত্র তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই কলকাতায় এসেছিল ধৃত। কার নির্দেশে এবং ঠিক কাদের কাছে এই অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল, তা জানতে ইশতিয়াককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।









