spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
HomeদেশTrump Tariff: চাপ বাড়ছে নয়াদিল্লির, ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক!

Trump Tariff: চাপ বাড়ছে নয়াদিল্লির, ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক!

নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও উপভোক্তাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাশিয়ার সঙ্গে তেল ও জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলির বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটছে আমেরিকা। রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিদলীয় রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলে নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন। এই বিল কার্যকর হলে ভারত, চিন, ব্রাজিলের মতো দেশগুলির উপর শুল্ক ও সেকেন্ডারি স্যাংশনের চাপ বহুগুণ বাড়তে পারে।

আরও পড়ুনঃ রবিবারেও জমজমাট অধিবেশন! ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন নির্মলা 

গ্রাহাম জানান, বুধবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। সেখানেই প্রেসিডেন্ট এই প্রস্তাবিত আইনটির প্রতি সমর্থন জানান। পরে হোয়াইট হাউসের এক আধিকারিকও সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এই গ্রাহাম–ব্লুমেনথাল বিল পাশ হলে, রাশিয়ার তেল, গ্যাস বা ইউরেনিয়াম জেনে-শুনে আমদানি করছে – এমন দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা পাবে মার্কিন প্রশাসন। বিলের মূল উদ্দেশ্য, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধ অর্থনীতির অর্থের জোগান বন্ধ করা।

এই আইন প্রস্তাবটি যৌথভাবে এনেছেন রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ও ডেমোক্র্যাট সেনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল। সেনেটে ইতিমধ্যেই এই বিলের পক্ষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহ-উদ্যোক্তা রয়েছেন। একই সঙ্গে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে সমান্তরাল একটি বিল পেশ করেছেন রিপাবলিকান সাংসদ ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক।

তবে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজে প্রেসিডেন্টের জন্য আরও নমনীয়তা রাখার দাবিতে আগে থেকেই কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছিল প্রশাসন। সেই পরিবর্তনগুলি চূড়ান্ত খসড়ায় আদৌ জায়গা পেয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এই আবহে ভারতের উপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানির জেরে ইতিমধ্যেই ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। ফলে মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের উপর মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আলোচনাতেও রুশ তেল আমদানি বন্ধ করার শর্ত জোরালোভাবে তুলে ধরছে ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুনঃ পুতিন ‘বন্দি’ ট্রাম্পের হাতে! রুশ নৌবহরের প্রতিরোধ ঠেকিয়ে অতলান্তিকে তেলবাহী জাহাজ কব্জা মার্কিন মেরিনের

এ ছাড়াও রাশিয়ার তেল সংস্থা রসনেফ্ট ও লুকঅয়েল-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত রবিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “ওরা (ভারত) এখনও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করছে। খুব তাড়াতাড়ি ওদের উপর আরও বেশি শুল্ক চাপানো হতে পারে।”

যদিও এই চাপের মুখে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও উপভোক্তাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোন উৎস থেকে কতটা সাশ্রয়ে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় থাকবে বলে জানিয়েছে ভারত।

উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ প্রায় চার বছরে পা রাখতে চলেছে। সংঘাতের অবসান ঘটাতে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করেছে। বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এই শান্তি আলোচনায় আমেরিকার প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন