Friday, 10 April, 2026
10 April
Homeজ্যোতিষ/আধ্যাত্মিকতাRamayan: রাজকুমারী "শান্তা"! রামায়ণের প্রায় ভুলে যাওয়া একটা অধ্যায়

Ramayan: রাজকুমারী “শান্তা”! রামায়ণের প্রায় ভুলে যাওয়া একটা অধ্যায়

শান্তার বিয়ে ঋষ্যশৃঙ্গের সঙ্গে না হতো, যদি সেই যজ্ঞ না হতো, তাহলে কি ভগবান রামের এই পৃথিবীতে আগমন হতো?

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

চার ভাইয়ের গল্প আমরা সবাই জানি—রাম, লক্ষ্মণ, ভরত আর শত্রুঘ্ন। কিন্তু তাদের আগে ছিল একজন, যাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় প্রায় হারিয়ে গেছে। তিনি হলেন তাদের বড় বোন—রাজকুমারী “শান্তা”।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দামামা আগেই বেজে গিয়েছে; রাত পোহালেই ভোট

অযোধ্যার রাজা দশরথ ও রাণী কৌশল্যার প্রথম সন্তান ছিলেন শান্তা। তিনি শুধু রাজকুমারীই নন, ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, জ্ঞানী এবং ধর্মপরায়ণা। তাঁর জ্ঞান আর গুণের কথা দূরদূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু ভাগ্যের লেখা ছিল অন্যরকম।

অঙ্গ দেশের রাজা রোমপদের সবকিছুই ছিল, শুধু সন্তান ছিল না। তখন এক কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো—রাজা দশরথ নিজের কন্যা শান্তাকে রোমপদের কাছে দত্তক দিয়ে দিলেন। ভাবুন তো, ছোট্ট একটি মেয়ে, নিজের ঘর ছেড়ে অন্য এক রাজ্যে চলে গেল চিরদিনের জন্য।

সময় কেটে গেল। শান্তা বড় হলেন, হয়ে উঠলেন জ্ঞান, তপস্যা আর সংস্কারে অনন্য। পরে তাঁর বিয়ে হলো মহান ঋষি ঋশ্যশৃঙ্গের সঙ্গে। আর এখান থেকেই শুরু হয় রামের জন্মের আসল গল্প।

যখন রাজা দশরথের সন্তান হচ্ছিল না, তখন সেই ঋষি ঋশ্যশৃঙ্গকে ডাকা হলো। তিনি করলেন “পুত্রকামেষ্ঠি” যজ্ঞ। আর সেই যজ্ঞের ফলেই জন্ম নিলেন রাম, লক্ষ্মণ, ভরত আর শত্রুঘ্ন।

একবার ভেবে দেখুন—যদি শান্তার বিয়ে ঋষ্যশৃঙ্গের সঙ্গে না হতো, যদি সেই যজ্ঞ না হতো, তাহলে কি ভগবান রামের এই পৃথিবীতে আগমন হতো?

যে বোন ভগবানের জন্মের পথ তৈরি করলেন, তাঁর নামই আজ প্রায় হারিয়ে গেছে। না টিভির গল্পে, না সাধারণ কাহিনীতে—তিনি পাননি তাঁর প্রাপ্য স্থান।

আরও পড়ুনঃ ‘এক্ষুণি চলে আসুন’; ভারতীয়দের জন্য জারি হল সতর্কতা

এই গল্প শুধু এক হারিয়ে যাওয়া চরিত্রের নয়, এটি ত্যাগ, আত্মবলিদান আর এক বিস্মৃত সত্যের গল্প।

তাই বলুন তো, আপনি কি আগে রামের এই বড় বোনের কথা জানতেন? যদি না জানেন, তাহলে এই গল্পটি ছড়িয়ে দিন। কারণ কিছু সত্য ভুলে যাওয়ার জন্য নয়, মনে রাখার জন্য।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন