বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সোশাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়া নতুন ঘটনা নয়। বিশ্বাসের বশে ব্যক্তিগত মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করে বিপদে পড়েন অনেকেই। যারা মানসিকভাবে শক্ত তাঁরা তা সামলে নিয়ে জীবনের পথে এগিয়ে যান। কেউ কেউ আবার ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। কিন্তু সঠিক পথে এগোলে কিন্তু এই জাল কেটে নিজেকে মুক্ত করাই শুধু নয়, অপরাধীকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়াও সম্ভব।
তবে এক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি বিঝয় বুঝতে হবে। ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি যদি ছড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলেই সমস্যার জাল কেটে বেরনো খুবই সহজ।
আরও পড়ুনঃ ২০০ টাকারও কমে ৩৫ দিনের প্ল্যান! BSNL-এর চাপে Jio-Airtel
মনে রাখবেন ভারতে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই যদি আপনার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে থাকে প্রথমেই সেই ছবির স্ক্রিনশট নিন, ভিডিও পোস্ট হয়ে থাকলে URL টি যত্ন করে নিজের কাছে সেভ করে রাখুন।
ভুলেও কিন্তু স্ক্রিনশটটি এডিট করবেন না। মাথায় রাখবেন, আপনি কখন স্ক্রিনশটটি নিচ্ছেন, সেই টাইমের উল্লেখ থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। যা আইনি পদক্ষেপের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করবে।
নিজের কাছে যাবতীয় নথি রেখে দেওয়ার পর ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটার-সহ যে প্ল্যাটফর্মে সেটি পোস্ট হয়েছে সর্বত্র গিয়ে সেটিকে রিপোর্ট করুন। অধিকাংশ প্ল্যাটফর্মই অভিযোগ পাওয়ামাত্রই এই পোস্টগুলোকে মুছে দেয়।
এরপর চলে যান আইনি লড়াইয়ে। প্রথমে অনলাইনে অভিযোগ জানান cybercrime.gov.in– এ। সেখানে অপশন পাবেন মহিলা নাকি শিশু সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ জানাতেন চাইছেন। সেখানে প্রয়োজন মতো অপশন বেছে নিন।
আরও পড়ুনঃ কমিশনের ঝোড়ো ব্যাটিং, একেবারেই ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’! দাগীদের আর সরকারি নিরাপত্তা নয়
এই ধরনের ঘটনায় কোন কোন ধারায় মামলা হবে? ১. সেকশন 66E- গোপনীয়তা লঙ্ঘন। ২. সেকশন 67-আপত্তিকর কন্টেন্ট। ৩. সেকশন 67A- যৌন উত্তেজন বিষয়বস্তু। চলে যান যে কোনও থানায়। সেখানে একটি এফআইআর দায়ের করুন।
অনেকেই লোকলজ্জার ভয়ে থানা-পুলিশ না করে পয়সার বিনিময়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেন। এই ভুল করবেন না ভুলেও। অভিযুক্তকে একটি টাকাও দেবেন না। আপনাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা হতে পারে, সেই ফাঁদে পা দেবেন না। কোনও পরিস্থিতিতেই নিজের কাছে থাকা নথি ডিলিট করবেন না।



