বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা:
মদের আসরে বারে হাঙ্গামা ও হাতাহাতির ঘটনায় নাম জড়াল এক যুব মোর্চা নেতার। অভিযোগ উঠেছে, উত্তর কলকাতার এক বিজেপি যুব মোর্চা সম্পাদক মদ্যপ অবস্থায় একটি বারের ভেতর তাণ্ডব চালান এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন।

এর জেরে ক্ষুব্ধ বারের কর্মী ও লোকজনের হাতে ওই নেতার মার খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের মাটিতে ফের জঙ্গি খতম! অজানা বন্দুকবাজের গুলিতে লস্কর কমান্ডারের মৃত্যুর ভিডিও ভাইরাল
ঠিক কী ঘটেছিল বারে?
স্থানীয় বিশেষ সূত্রে (বঙ্গ বার্তা সত্যতা যাচাই করেনি) পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাতে উত্তর কলকাতার একটি বারে বসে মদ্যপান করছিলেন অভিযুক্ত ওই বিজেপি নেতা। অভিযোগ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি বারের ভেতরে অশালীন আচরণ শুরু করেন এবং দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দাদাগিরি করতে যান। বারের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় প্রতিবাদ জানান কর্মীরা।
এর পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে:
-
বাকবিতণ্ডা থেকে হাতাহাতি: অভিযোগ, বারের কর্মীদের সঙ্গে ওই নেতার তীব্র বচসা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বারের কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন বা উত্তমমধ্যম দেন বলে অভিযোগ।
-
টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন: রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, প্রশাসনের অন্দরে বা নানা মহলে নানা অভিযোগ তোলার মাঝে এই ধরনের আভিজাত্যপূর্ণ পানশালায় মদ্যপান ও দেদার টাকা ওড়ানোর লাইফস্টাইলের জন্য এত টাকা আসছে কোথা থেকে? বিরোধী শিবির থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের একাংশ তীব্র কটাক্ষ করে বলছেন এই ধরনের আচরণ সনাতন ধর্মের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।

রাজনৈতিক চাপানউতোর
শাসক দল বা বিরোধী শিবিরের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে। বিরোধী পক্ষ এই ঘটনাকে সামনে এনে গেরুয়া শিবিরের নেতাকর্মীদের নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বা অভিযুক্ত নেতার তরফে সুনির্দিষ্ট কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তবে এই ঘটনাকে ঘিরে শহরের অন্দরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।


