সোমেন দত্ত, কোচবিহারঃ
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সবার মনেই প্রচুর জল্পনা ছিল। অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন আদৌ নির্বাচন হবে কিনা । তবে সমস্ত জল্পনাতে জল ঢেলে দিয়ে দেশের ১৩ তম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তাতে জয় লাভ করেছে বিএনপি। কিন্তু এই লড়াইটা কি এতই সহজ ছিল। যেখানে এনসিপি এবং জামাত একসঙ্গে জোট বেঁধে বাংলাদেশের ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নেমেছিল। সবচেয়ে বড় কথা জামাত এবং এনসিপির এই জোটের পিছনে যে পাকিস্তানের ইন্ধন ছিল তা আজ প্রমাণিত এবং এর আগেও বহুবার তার প্রমান পাওয়া গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ রাবণ দেশে ‘অপারেশন সিঁদুর’! চরম ‘অপমানও’ উপহার দিল সূর্যের ভারত
বাংলাদেশের মধ্যেই হাসনাত, হাদি এবং সারজিসের মত ভারত বিরোধীরা শুধু ভারত নয় বাংলাদেশকেও ফের একবার পাকিস্তানের অধীনে নিয়ে যেতে চাইছিল। তারা মুক্তিযুদ্ধের অপমান করেছিল প্রকাশ্যে। জুলাই অভ্যুস্থানের পরে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে এরা চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশকে আরও অন্ধকারে ঠেলে দিতে। এই সারজিসদের হারাতেই হত। আর সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর খবর এই যে জামাতকে হারানো বিএনপির এই জয়ের কান্ডারী আসলে পশ্চিমবঙ্গের একজন বিজেপি নেতা।
দিনহাটার বিজেপি নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত একটি ভিডিও বার্তায় নিজেই বলেছেন যে তিনি নিজে ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তে জিরো পয়েন্টে একটি বৈঠক করেছিলেন। যদিও সেই গোপন বৈঠকে কারা ছিলেন তাদের নাম তিনি গোপন রেখেছেন। তবে কিশোরগঞ্জ থেকে নিবার্চনে লড়া মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান তার এই বৈঠকের কারণেই ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গ ব্রিগেডকে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন! ৩ বছর পর আবার ফাইনাল খেলবে বাংলা
দীপ্তিমান তার সাক্ষাৎকারে বলেন ফাজলুর রহমান যদিও বেশি ভোট পাননি তবে তিনি এই ভোট না পেলে জুলাই জঙ্গি সারজিস আলমকে হারানো যেত না। ভারত বাংলাদেশের সীমান্তে এই গোপন বৈঠক এবং দীপ্তিমানের মত দুঁদে রাজনীতিকের স্ট্রাটেজি সাহায্য করেছে সারজিসের মত পাকিস্তান পন্থীদের হারাতে।
সুতরাং দীপ্তিমানের এই সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে বলাই যায় মুক্তি যুদ্ধের স্মৃতি এবং ইমোশনাল ভোকাল টনিক দিয়েই বাংলার এই বিজেপি নেতা বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছেন এবং বাংলাদেশের মানুষ তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে এবং সারজিসের মত পাকিস্তান পন্থীর হাতে দেশের ক্ষমতা তুলে দেয়নি।









