spot_img
Saturday, 21 February, 2026
21 February
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজBangladesh: ইউনুস, জুলাই জঙ্গি সারজিসও ভয়ে কাঁপতেন! বাংলাদেশে খোঁজ মিলল একটি রহস্যময়...

Bangladesh: ইউনুস, জুলাই জঙ্গি সারজিসও ভয়ে কাঁপতেন! বাংলাদেশে খোঁজ মিলল একটি রহস্যময় শিব মন্দিরের

রাতে মন্দির থেকে ঘণ্টার আওয়াজ শোনা যায়, যেন কেউ পূজা করছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাংলাদেশে খোঁজ মিলল একটি রহস্যময় শিব মন্দিরের। যার সামনে গেলেই নাকি অদ্ভুত সব কান্ড ঘটছে। এমনটাই দাবি করছেন স্থানীয়রা। ভয় পাচ্ছেন স্থানীয় মুসলিমরাও। এই মন্দির নিয়ে গ্রামের লোকজনের মুখে মুখে ছড়িয়ে আছে অদ্ভুত সব কথা। বলা হয়, যদি কেউ গরুর মাংস খেয়ে এই মন্দিরের সামনে দিয়ে হাঁটার চেষ্টা করে, তাহলে তার পা যেন অদৃশ্য কোনো শক্তিতে আটকে যায়। সে আর এক পা-ও এগোতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ সঙ্ঘপ্রধানকে তিন সন্তানের বাবা হওয়ার পরামর্শ শঙ্করাচার্যের

অনেকে এই পরীক্ষা করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে, কেউ কেউ ভয়ে পালিয়ে এসেছে। শোনা যায় ইউনুস, জুলাই জঙ্গি সারজিসও ভয়ে কাঁপতেন এই মন্দিরের কথা জেনে জাবার পর। আরও অবাক করা বিষয় হল, এই মন্দিরের মূর্তি বা প্রতিমা সরানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে, কিন্তু কেউই সফল হয়নি। যারা চেষ্টা করেছে, তারা অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া, রাতে ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখা, বা শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে যাওয়া। স্থানীয়রা এই মন্দিরকে ‘ভূতুড়ে’ বা ‘অলৌকিক’ বলে ডাকে।

এই মন্দিরের অবস্থান বাংলাদেশের কোনো একটি গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে হিন্দু-মুসলিম মিলেমিশে বাস করে। কিন্তু এই মন্দিরের চারপাশে একটা অদৃশ্য ভয়ের আবহাওয়া। গ্রামের বয়স্করা বলেন, এই মন্দির অনেক পুরনো হয়তো শতাব্দী প্রাচীন। শিবলিঙ্গটি স্বয়ংভূ, অর্থাৎ প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভূত। কোনো মানুষের হাতে তৈরি নয়। এর চারপাশে ঘন জঙ্গল বা খোলা মাঠ, যেখানে রাতে কেউ যেতে সাহস পায় না।

কেউ কেউ বলেন, রাতে মন্দির থেকে ঘণ্টার আওয়াজ শোনা যায়, যেন কেউ পূজা করছে। আবার কেউ বলেন, আলো জ্বলে উঠে অদৃশ্য হয়ে যায়।একবার কয়েকজন যুবক মজা করে চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল গরুর মাংস খেয়ে মন্দিরের সামনে দাঁড়াবে। তারা খেয়ে এসে হাঁটতে গিয়ে দেখল, পা যেন মাটিতে গেঁথে গেছে। কোনো শক্তি যেন টেনে ধরছে। তারা চিৎকার করে পিছিয়ে এল, আর তারপর থেকে সেই যুবকদের মধ্যে একজনের শরীরে অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিল।

গ্রামের লোক বলে, এটা শিবের অভিশাপ। শিব তো গরুর পিঠে চড়েন নন্দী তাই গরুর মাংস খেয়ে তার সামনে যাওয়া অপমান। এই বিশ্বাস এতটাই গভীর যে, এখন অনেক মুসলিম যুবকও এই পথ এড়িয়ে চলে। তারা বলে, “ওখানে যাওয়া ঠিক না, কী যেন আছে।”মূর্তি সরানোর চেষ্টাও হয়েছে বহুবার। একবার কয়েকজন লোক এসে শিবলিঙ্গ তুলে নিতে চেয়েছিল হয়তো জমি দখলের জন্য বা অন্য কোনো কারণে।

আরও পড়ুনঃ নেতৃত্বকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ! বিনয় কোঙারের ছেলের পোস্টে সিপিএমে বিদ্রোহের সুর

তারা লোহার রড, হাতুড়ি নিয়ে এসেছিল। কিন্তু যেই তারা ছুঁতে গেল, হঠাৎ ঝড় উঠল, আকাশ কালো হয়ে এল, আর তারা অজ্ঞান হয়ে পড়ল। পরে যখন জ্ঞান ফিরল, তারা দেখল মূর্তি ঠিকই আছে, কিন্তু তাদের হাতে অদ্ভুত দাগ পড়ে গেছে। এরপর থেকে কেউ আর চেষ্টা করেনি। গ্রামের পুরোহিত বা স্থানীয় হিন্দুরা বলেন, “এটা শিবের নিজস্ব জায়গা। যিনি এখানে আছেন, তিনি রক্ষা করেন নিজেকে।”

এই ঘটনাগুলো শুধু গুজব নয়, গ্রামের মানুষের জীবনে গেঁথে গেছে। অনেকে বলেন, এই মন্দিরের কারণে গ্রামে শান্তি আছে। কোনো বড় দুর্ঘটনা বা অশান্তি হয় না। কিন্তু যারা অবিশ্বাস করে, তারা ভুগেছে। এখন পর্যটক বা বাইরের লোক এলে গ্রামবাসীরা সতর্ক করে দেয়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন