Friday, 23 October, 2026
23 October
HomeদেশCJP Protest: সোশ্যাল মিডিয়াতে কড়া নজরদারি, বন্ধ ১৬টি মেট্রো স্টেশন, বন্ধ ইন্টারনেট;...

CJP Protest: সোশ্যাল মিডিয়াতে কড়া নজরদারি, বন্ধ ১৬টি মেট্রো স্টেশন, বন্ধ ইন্টারনেট; রাজধানী জুড়ে জোরদার নিরাপত্তা

রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রশ্নফাঁস বিতর্কের প্রেক্ষিতে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা বিক্ষোভ দিল্লির যন্ত্র মন্তর চত্বরকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। সোমবার থেকেই শুরু হওয়া এই আন্দোলনে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে দিল্লি পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি রাজধানীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদারকরণ

বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল যন্ত্র মন্তর, কনাট প্লেস, পার্লামেন্ট হাউসসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও, নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত বাহিনী ও আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের কারণে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রাস্তায় পরিবর্তন আনা হতে পারে।

রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেন্ট্রাল দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ করা স্টেশনের মধ্যে রয়েছে:

  • লোক কল্যাণ মার্গ
  • রাজীব চক
  • প্যাটেল চক
  • রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ
  • সুপ্রিম কোর্ট
  • সেবা তীর্থ
  • জনপথ
  • মান্ডি হাউজ় ইত্যাদি

যাত্রী সুবিধার জন্য রাজীব চক, মান্ডি হাউস ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনগুলোতে কেবল ইন্টারচেঞ্জ পরিষেবা চালু থাকবে, অর্থাৎ যাত্রীরা এক লাইনে থেকে অন্য লাইনে যেতে পারবেন, কিন্তু স্টেশন থেকে বের হতে বা প্রবেশ করতে পারবেন না।

বুধবার বিকেল থেকে তিন দফায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা টলস্টয় মার্গের কাছে পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে, যার ফলে অন্তত পাঁচ পুলিশকর্মী আহত হন। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস শেল ছুঁড়ে ও লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। মোট দশটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

আলোচনার সম্ভাবনা ও দ্বন্দ্ব

গতকাল সরকার ও ককরোচ জনতা পার্টির মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও, বিক্ষোভকারীদের অনড় অবস্থানের কারণে বৈঠক হয়নি। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, তারা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবন বা অফিসে বৈঠক করতে রাজি নন। বরং নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা করতে চান।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা জানিয়েছেন, সরকার NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে সংসদে যে কোনো সময় এবং যে কোনো ফরম্যাটে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আজ বিরোধী দলনেতারা মকর দ্বারে বিক্ষোভ করার পরিকল্পনা নিয়েছে, এনডিএর সাংসদরাও একই স্থানে বিক্ষোভ করবেন।

পটভূমি ও আন্দোলনের প্রকৃতি

  • প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে সিজেপি জুন থেকে যন্ত্র মন্তরে বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে।
  • সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক গত ২৮ জুন থেকে অনশন চালাচ্ছেন। ১৮ জুলাই পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করলেও অনশন ভাঙানো যায়নি।
  • ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে পুলিশি লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের অভিযোগ ওঠে।
  • বিরোধী নেতারা পুলিশের হাতে ধর্নাস্থলে আক্রমণের প্রতিবাদ করেন।

দিল্লির এই বিক্ষোভ ও পুলিশের পদক্ষেপে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন করে দ্রুত বিচার এবং ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখার পাশাপাশি রাজনৈতিক আলোচনা ও সমাধানের মাধ্যমে পরিস্থিতি শিথিল করার চেষ্টা চলছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন