ভারতীয় বিমান বাহিনী তাদের তেজস যুদ্ধবিমানে টরাস KEPD 350E ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার কথা বিবেচনা করছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বাঙ্কার, কমান্ড সেন্টার এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি, অবাক স্থানীয় বাসিন্দারা! রাশিয়ার আকাশে দেখা গেল ‘দুটি সূর্য
TAURUS-এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হল এর কম উচ্চতায় উড়ানের ক্ষমতা। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি MEPHISTO ওয়ারহেড দিয়ে সজ্জিত, যা কংক্রিট এবং মাটির একাধিক স্তর ভেদ করতে পারে। এর প্রোগ্রামেবল ফিউজ প্রযুক্তি ক্ষেপণাস্ত্রটিকে একটি নির্বাচিত তলায় বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম করে, যা এটিকে একটি অনন্য বাঙ্কার-বাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রে পরিণত করে।
TAURUS সিস্টেমের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল এর কম উচ্চতায় উড়ানের ক্ষমতা। ক্ষেপণাস্ত্রটি মাটির খুব কাছাকাছি উড়ে শত্রুর ঘন বায়ু প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে এড়িয়ে যায়।
মেফিস্টো ট্যান্ডেম পেনিট্রেটর ওয়ারহেড মাটি এবং কংক্রিটের একাধিক স্তর ভেদ করে ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটায়, যা ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পরিকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়।
TAURUS-এ ব্যবহৃত প্রোগ্রামেবল ইন্টেলিজেন্ট ফিউজ প্রযুক্তি এটিকে অন্যান্য ক্রুজ মিসাইল থেকে আলাদা করে। এই ফিউজ লক্ষ্যবস্তুর গঠন সনাক্ত করতে পারে এবং একটি নির্বাচিত স্তর বা গভীরতায় বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। এই কারণে, TAURUS কে একটি বিশেষ বাঙ্কার-বাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।









