পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবার চরম আকার ধারণ করেছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার ক্রমাগত মিসাইল হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে চলেছে ইরান। তেহরানের একাধিক তেলের ডিপো এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে একের পর এক ভয়াবহ হামলা চালানো হচ্ছে। আর এই লাগাতার বিস্ফোরণের জেরে এবার তেহরানে ‘অ্যাসিড বৃষ্টি’ বা বিষ বৃষ্টির চরম সতর্কতা জারি করল প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ বিশ্ববাজারে আতঙ্ক! ৫ সেকেন্ডে উধাও ৯ লক্ষ কোটি টাকা
তেহরানে ঠিক কী ঘটছে?
ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় তেহরান এবং তার আশেপাশের এলাকার তেল ও জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলি দাউদাউ করে জ্বলছে। শহর ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়া এবং বিষাক্ত গ্যাসে। বিপুল প্রাণহানি ও সম্পত্তি নষ্টের পাশাপাশি পরিবেশের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। বাতাসে মিশছে বিপুল পরিমাণ হাইড্রোকার্বন, সালফার এবং নাইট্রোজেন অক্সাইডের মতো প্রাণঘাতী রাসায়নিক পদার্থ।
অ্যাসিড বৃষ্টির আতঙ্ক ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
বিস্ফোরণের জেরে সৃষ্ট এই বিষাক্ত ধোঁয়া মেঘের সঙ্গে মিশে যে কোনও মুহূর্তে তেহরানে অ্যাসিড বৃষ্টি ঘটাতে পারে বলে প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই চরম বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে স্থানীয় প্রশাসন নাগরিকদের জরুরি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছে৷
আরও পড়ুনঃ CPM-এর কালো পতাকা, TMC-র ‘GO Back’; শান্ত মেজাজেই জ্ঞানেশ
বিষ-বাষ্প ও অ্যাসিড বৃষ্টি থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষকে বাড়ির ভেতরেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাইরে বেরোনো অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই বিষ বৃষ্টি ত্বকের সংস্পর্শে এলে মারাত্মক জ্বালা এবং ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া শ্বাসনালীর বড়সড় ক্ষতি এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি রয়েছে।
বাতাসে ভাসমান এই রাসায়নিক এবং অ্যাসিড বৃষ্টি শিশু ও বয়স্কদের জন্য সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। এর জেরে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যুদ্ধবিধ্বস্ত তেহরান এখন শুধু মিসাইল বা বোমার আতঙ্কেই নয়, বরং ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের প্রহর গুনছে।









