spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজTejas Crash: দুবাই এয়ার শোতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে তেজস

Tejas Crash: দুবাই এয়ার শোতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে তেজস

চোখের সামনে যেন মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ল গর্ব, স্বপ্ন আর বিস্ময়ের এক প্রদর্শনী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

শুক্রবার ভারতের বায়ুসেনার জন্য আরও একটা খারাপ দিন। দুবাই এয়ারশোতে দর্শকদের সামনেই ভেঙে পড়েছে তেজস যুদ্ধবিমান। পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। কিন্তু কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা প্রাথমিকভাবে বোঝা না গেলেও এখন কারণটি স্পষ্ট হয়েছে।

দুবাইয়ের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ০৮ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময়ে যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি বিশেষ স্টান্ট করছিলেন পাইলট। সাধারণত এইসব স্টান্ট ভারতীয় বায়ুসেনা করে থাকে। বলাই বাহুল্য, তার জন্য দীর্ঘ সময়ের ট্রেনিংও নেন তাঁরা। তবে এদিন সেই স্টান্টই কাল হল।

আরও পড়ুনঃ আকাশ ছুঁয়ে দূর দিগন্তে অতিথি পাখি ফ্লেমিঙ্গো

ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গেছে, হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে নীচের দিকে নেমে আসছে যুদ্ধবিমানটি। আর মুহূর্তের মধ্যেই তা জ্বলে ওঠে, আকাশে ছড়িয়ে পড়ে ঘন কালো ধোঁয়া। পরে ভারতীয় বায়ুসেনা নিশ্চিত করে, এই দুর্ঘটনায় পাইলটের মৃত্যু হয়েছে।

বায়ুসেনার প্রাক্তন পাইলটসহ একাধিক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার ঠিক আগে ওই পাইলট ‘ব্যারেল রোল’ (Barrel Roll) নামে পরিচিত একটি স্টান্ট করছিলেন। এই কৌশলে বিমানটিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেতে পুরো উল্টো ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। একসময় উল্টো হয়ে আবার সোজা অবস্থানে ফিরে আসে সেটি। আপাতদৃষ্টিতে কঠিন নয়, তবে প্রতিটি ধাপ নিখুঁতভাবে করতে হয়।

ভিডিও ফুটেজ দেখে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ‘ব্যারেল রোল’ (Barrel Roll) সম্পূর্ণ করার সময় কোথাও না কোথাও ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ফলে তেজস যুদ্ধবিমানের নাক নিচু অবস্থাতেই তা দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে, পাইলট আর সেটি উদ্ধার করতে পারেননি।

আরও পড়ুনঃ জাতিগত হিংসায় ফের অগ্নিগর্ভ রাষ্ট্রপতি শাসন চলতে থাকা মণিপুর

যদিও ঘটনার মূল কারণ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। তেজসের নির্মাতারা ও ভারতীয় বায়ুসেনা যৌথভাবে ম্যানুভার, বিমানের অবস্থা ও ফ্লাইট ডেটা বিশ্লেষণ করছেন।

তেজসের এটি গত দু’বছরের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্ঘটনা। ২০২৪ সালের মার্চে রাজস্থানের জয়সালমেরে ভেঙে পড়েছিল একটি তেজস। সেই প্রথম দুর্ঘটনা ছিল ২০০১ সালে প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান থেকে ২৩ বছরের ইতিহাসে। তখন পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন।

৪.৫-জেনারেশনের বহু-কৌশলী এই যুদ্ধবিমানটি তার হালকা ও ছোট আকৃতির জন্য আলাদা গুরুত্ব পায়। আকাশ প্রতিরক্ষা, আঘাত হানা, নিকট-সংঘর্ষ – সব ধরনের অভিযানের উপযোগী করে তৈরি হয়েছে তেজস।

বিমানটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মার্টিন-বেকার ‘জিরো-জিরো’ ইজেকশন সিট। এমন অবস্থাতেও পাইলটকে নিরাপদে বের করে আনতে পারে, যখন বিমান শূন্য উচ্চতা এবং শূন্য গতিতে থাকে, যেমন টেক-অফ বা ল্যান্ডিং-এর সময়। বিস্ফোরক চার্জের সাহায্যে ককপিটের ক্যানোপি উড়িয়ে পাইলটকে টেনে তুলেই প্যারাশুট খুলে তার অবতরণ স্থির করে এই সিস্টেম।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন