spot_img
Saturday, 28 February, 2026
28 February
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গMalda: চাঞ্চল্য মালদহের ধরমপুর এলাকায়! সড়কে জ্বলছে টায়ার, মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর

Malda: চাঞ্চল্য মালদহের ধরমপুর এলাকায়! সড়কে জ্বলছে টায়ার, মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর

বিষয়টা জানাজানি হতেই আমাদের বাড়ির লোক সেখানে যায় প্রতিবাদ করে। তখনই মারধর করে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

মাধ্যমিকের ছাত্রকে খুনের অভিযোগ। ঘটনায় দ্রুত অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি নিয়ে দেহ ফেলে রেখে রাস্তা অবরোধ পরিবারের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহের ধরমপুর এলাকায়। দেহ রেখে মালদা মানিকচক রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। রাজ্য সড়কে গতকাল জ্বলছে টায়ার। গতকাল থেকেই ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী।

আরও পড়ুনঃ বেজে গেল দামামা, একদিন আগেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

পরিবার সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিপি ব্যবহার নিয়ে বচসা হয়েছিল। বন্ধুর ডিপি ব্যবহার করে একাধিক কিশোরী তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব অপর বন্ধুর। গোটা বিষয়টি জানার পরই প্রতিবাদ করেন মৃত ছাত্রের পরিবার। ৩৬ ঘণ্টা পর মৃত্যু সদ্য মাধ্যমিক দেওয়া ওই ছাত্রের।

জানা যাচ্ছে, মালদহের মানিকচক ব্লকের সাহেবনগর গ্রামের বাসিন্দা শেখ সোয়েল (১৬)। তাঁরই মৃত্যু হয়েছে। সোয়েলের বন্ধু হল শেখ আমরাজ। দু’জনেই এই বছর মাধ্যমিক দিয়েছে বলে খবর। তবে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে থেকে শেখ আমরাজ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেখ সোহেলের ছবি দিয়ে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে বলে অভিযোগ। সেই অ্যাকাউন্ট থেকে তরুণীকে প্রেম প্রস্তাব পাঠায় বলে অভিযোগ। বিষয়টা কিছুদিন পর সেটা জানতে পারেন শেখ সোয়েল ও তাঁর পরিবার।

আরও পড়ুনঃ এক ঘণ্টার মধ্যে ২ বার কাঁপল উত্তরবঙ্গ, বারবার কেন এত কম্পন? 

চলতি মাসের ২২ তারিখ এই বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যায় শেখ আমরাজের বাড়ি। এতে বেজায় চটে যায় আমরাজের বাবা ফিজুর ও তার মা বেবি বিবি। লাঠি ও বাঁশ দিয়ে বেধড়ক শেখ সোয়েলকে বলে দাবি। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা সোয়েলকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে সেখান থেকে মালদহ মেডিকেল কলেজ ও পরে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মাথায় সোয়েল মারা যায় বলে খবর।

মৃতের পরিবারের এক সদস্য বলেন, “মোবাইল নিয়ে ঝামেলা। সোয়েলের আইডি নিয়ে ওর বন্ধু চালাত। মেয়েদের ফোন করত। বিষয়টা জানাজানি হতেই আমাদের বাড়ির লোক সেখানে যায় প্রতিবাদ করে। তখনই মারধর করে।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন