spot_img
Wednesday, 25 February, 2026
25 February
spot_img
HomeদেশNarendra Modi: এই মুহূর্তে সবচাইতে বড় খবর; মোদী সরকারের সিদ্ধান্তে নাম বদলাচ্ছে...

Narendra Modi: এই মুহূর্তে সবচাইতে বড় খবর; মোদী সরকারের সিদ্ধান্তে নাম বদলাচ্ছে রাজ্যের

এতে স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখানো হচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

নয়াদিল্লি থেকে বড় চমক। মোদী সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আজ, মঙ্গলবারের বৈঠকে কেরল রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালাম’ করার প্রস্তাবে সম্ভবত অনুমোদন দিতে চলেছে। এই সিদ্ধান্ত যদি চূড়ান্ত হয়, তাহলে ভারতের সংবিধানের প্রথম তফসিলে রাজ্যের নাম ‘কেরালা’ থেকে বদলে ‘কেরালাম’ হয়ে যাবে। এটি শুধু একটা নামের পরিবর্তন নয়, বরং দক্ষিণ ভারতের এই সবুজ রাজ্যের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে আরও জোরালোভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার একটা পদক্ষেপ।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় আকস্মিক বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড; লেক অ্যাভিনিউয়ে মাটির নিচে ‘বোমা’?

কেরল বিধানসভা ২০২৪ সালে এই নাম বদলের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাস করেছিল। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন নিজে এই প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি বলেছিলেন, মালয়ালম ভাষায় রাজ্যের নাম সবসময়ই ‘কেরালাম’। স্বাধীনতার আগে থেকেই মালয়ালমভাষী মানুষের জন্য একটা যুক্ত রাজ্যের দাবি উঠেছিল, আর ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য পুনর্গঠনের সময়ও এই নামটাই প্রচলিত ছিল। কিন্তু সংবিধানে ইংরেজি নাম হিসেবে ‘কেরালা’ লেখা রয়ে গেছে।

এই অসঙ্গতি দূর করতে চেয়েছে রাজ্য সরকার। বিধানসভার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেন্দ্র যেন প্রথম তফসিল সংশোধন করে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করে।এই প্রস্তাব কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর কিছু প্রযুক্তিগত সংশোধনের পরামর্শ এসেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে। তাই রাজ্য আবারও প্রস্তাব পাস করে পাঠিয়েছে। এখন খবর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আজ এই বিলে সায় দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এই বৈঠক নতুন অফিস ‘সেবা তীর্থ’-এ হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ “মানুষের আস্থা আর স্বাস্থ্য নিয়ে ছেলেখেলা বরদাস্ত করা যাবে না” বললেন শিলিগুড়ি পুরসভার বিরোধী দলনেতা অমিত জৈন

অনুমোদন পেলে এটি সংসদে পেশ হবে এবং সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে।রাজনৈতিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে। কারণ ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে কেরালায় বিধানসভা নির্বাচন। এমনিতেই লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (এলডিএফ) এবং ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)-এর মধ্যে তীব্র লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা। এই নাম বদলের প্রস্তাবে বিজেপিও সমর্থন জানিয়েছে।

রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি লিখে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপের অনুরোধ করেছিলেন। এতে করে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের একটা ইতিবাচক ছবি উঠে আসছে, যদিও কেরালায় বিজেপির অবস্থান এখনও দুর্বল।সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, এটা শুধু প্রতীকী ব্যাপার। নাম বদলালেও রাজ্যের পরিচয় তো একই থাকবে ‘ঈশ্বরের নিজের দেশ’ হিসেবে।

কেরালাম বললেই তো মনে পড়ে সেই সবুজায়িত পাহাড়, ব্যাকওয়াটার, নারকেল গাছের সারি আর সাক্ষরতার উজ্জ্বল ইতিহাস। কিন্তু কেউ কেউ মনে করছেন, এতে স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখানো হচ্ছে। অন্যদিকে কিছু সমালোচক বলছেন, এই ধরনের নাম বদল নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে ভোটের আগে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন