রাজ্যপাল পরিবর্তন একটা ভয়াল ইঙ্গিত। আজ পশ্চিমবঙ্গ একটা ভয়ংকর জায়গায় দাঁড়িয়ে।
চারদিকে তাকান। বাংলাদেশ সীমান্তের অবৈধ অনুপ্রবেশ বহুদিন ধরেই বাংলার জনসংখ্যার চেহারা বদলে দিচ্ছে। নিরাপত্তা মহল বহুবার সতর্ক করেছে— কিছু চক্র, বিশেষ করে Jamaat‑e‑Islami-ঘনিষ্ঠ নেটওয়ার্ক পূর্ব ভারতে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুনঃ ভারতের জন্য সুখবর! হরমুজে চলবে ভারতীয় অয়েল ট্যাঙ্কার
অন্যদিকে বাংলায় নির্বাচন মানেই এখন রক্ত, ভয়, দখল, সন্ত্রাস। বহু জেলায় ভোট মানে গণতন্ত্রের উৎসব নয়, বরং ভয়ের পরিবেশ।
ইতিহাস বলছে, প্রশাসন দুর্বল হলে শূন্যস্থান কখনও খালি থাকে না। সেই শূন্যস্থান ভরাট করে চরমপন্থা। ভারত এই দৃশ্য আগেও দেখেছে।
১৯৮০-র দশকের Punjab insurgency।
১৯৯০-এর দশকের Insurgency in Jammu and Kashmir।
আরও পড়ুনঃ অজিত ডোভালের অন্যতম বন্ধু বাংলার নতুন রাজ্যপাল আরএন রবি; ‘স্তম্ভিত’ মমতা
পাঞ্জাবে যখন সন্ত্রাস চরমে উঠেছিল, তখন শক্ত প্রশাসনই পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেয়।
গভর্নর Siddhartha Shankar Ray সাংবিধানিক নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। আর কিংবদন্তি পুলিশ অফিসার K. P. S. Gill পাঞ্জাব পুলিশকে নতুনভাবে দাঁড় করিয়ে সন্ত্রাসবাদ ভেঙে দেন। আজ বাংলাতেও রাজভবনে এলেন R. N. Ravi— বহু দশক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত একজন অভিজ্ঞ প্রশাসক।
এটা একটা বাস্তব প্রশ্ন—বাংলা কি আইন ও সংবিধানের পথে চলবে, নাকি সন্ত্রাস, সিন্ডিকেট আর অনুপ্রবেশের অন্ধকারে আরও ডুবে যাবে? আগামী মাসগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা আজ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে। কারণ ইতিহাসের একটা নিয়ম আছে—সতর্ক সংকেত যারা দেখতে পায় না, ইতিহাস তাদের জন্য অপেক্ষা করে না।









