spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গNagrakata: আজ নাগরাকাটায় মুখ্যমন্ত্রী, ঘুম ছুটেছে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের

Nagrakata: আজ নাগরাকাটায় মুখ্যমন্ত্রী, ঘুম ছুটেছে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের

মমতার বামনডাঙায় যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সোমেন দত্ত, কোচবিহারঃ

গত সোমবার নাগরাকাটার বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এক সপ্তাহ পরে আজ, সোমবার ফের নাগরাকাটায় আসছেন তিনি। ৪ অক্টোবর অতিবৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির মধ্যে রয়েছে নাগরাকাটার বামনডাঙা। তাই এ বারের সফরে মমতার বামনডাঙায় যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ “শান্তিপূর্ণ পথে কাজ না-হলে অন্য রাস্তাও খোলা রয়েছে”, বললেন পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবান মন্ত্রীর

বামনডাঙা চা বাগানে ঢোকার মুখে টন্ডু ডিভিশন। সেখানেই টানাটানি-গাঠিয়া নদীর উপরে রয়েছে একটি সেতু। সম্প্রতি বিপর্যয়ে সেই সেতুর চা বাগানের প্রান্তটি ভেঙে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী যদি হেঁটে বাগানে ঢুকতে চান, সে ক্ষেত্রে সেতুর ভাঙা অংশে লোহার গ্রিলের সিঁড়ি স্থাপন করে দেবে প্রশাসন। সেই কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এ ছাড়াও বিকল্প হিসেবে টানাটানি-গাঠিয়া নদীতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্পিড বোট তৈরি রাখা হচ্ছে।

নদীর ও পারে পৌঁছনোর পরে প্রায় ১৪ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত বামনডাঙায় বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনের জন্য ফোর বাই ফোর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি গাড়ি নিয়ে আসা হয়েছে। চা বাগানের ভিতরে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি না-থাকায় বাগান ম্যানেজার সুরজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের গাড়িটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বামনডাঙায় বিপর্যস্ত এলাকার এক দিকে রয়েছে ঘন জঙ্গল। গোরুমারা এবং ডায়না রেঞ্জ থেকে বুনো হাতির পাল মাঝেমধ্যেই ঢুকে পড়ে এখানে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে গোরুমারার ডিএফও দ্বিজপ্রতীম সেন নিজেই এলাকায় বন দপ্তরের অস্থায়ী তাঁবু গেড়ে সমস্ত বিষয়টি তদারকি করছেন।

জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার উমেশ গণপথ খন্ডবহালে টন্ডু থেকে বামনডাঙা, এই ছয় কিলোমিটার রাস্তার প্রতিটি অংশ খতিয়ে দেখেছেন। উত্তরবঙ্গের আইজি রাজেশ কুমার নিজেও রয়েছেন এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী কখনও নির্দিষ্ট রুটে চলেন না। প্রায়শই নিজের মর্জিমাফিক রুট বদল করে এখানে ওখানে ঢুকে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ প্রেমে সিলমোহর! পেরিকে চুম্বন ‘শার্টলেস’ ট্রুডোর

তাই লুকসান, গাঠিয়া, সুখানিবস্তি, মংরু পাড়া, পাটোয়ারী পাড়া-সহ নাগরাকাটার যে কোনও বিপর্যস্ত এলাকায় ঢুকে পড়তে পারেন তিনি। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে প্রত্যেকটি এলাকায় বাড়তি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক ধীমান বারুই নাগরাকাটার বিডিও অফিস থেকে গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছেন।

গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রী নাগরাকাটার লুকসান এলাকায় ভেঙে পড়া কালীখোলা সেতুর সামনে এসে দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সেই সেতু মেরামত করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাস্তার এক লেন দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে। ফলে এ বারে মমতা সড়কপথেই এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে যেতে পারবেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বামনডাঙায় মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন নিয়ে প্রচণ্ড টেনশনে রয়েছেন প্রশাসনের কর্তারা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন