পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে আবারও প্রচুর নাম বাদ পড়তে পারে। পিছিয়ে যেতে পারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও। তেমনই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। যদিও এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত কিছুই জানানো হয়নি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই ৪ লক্ষের বেশি ভোটারের নথিকে অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন রাজ্যের মাইক্রো অবজার্ভাররা। ইতিমধ্যেই সেই নাম রাজ্য থেকে পাঠান হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে।
রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রের খবর, এখনও অনেক নথি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। সেগুলি নিয়ে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। সেখান থেকেও কিছু নাম বাদ পড়তে পারে।
যদিও ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIRএর শুনানিতে প্রায় ৭ লক্ষ ভোটার হাজিরাই দেননি। আর ইতিমধ্যেই ৪ লক্ষের নথি অযোগ্য চিহ্নিত। সেই হিসেব ধরলে এখনই রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে ১০ লক্ষের নাম বাদ পড়তে পারে।
মৃত, অনুপস্থিত, নিখোঁজ ভোটার হিসেবে আগেই ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এবার শুনানিতে সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে আরও ১০ লক্ষের নাম। তেমনই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। কিন্তু এখনও প্রচুর কাজ বাকি রয়েছে। তাই ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন আরও পিছিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ঘুরে গেল রাজ্যের রাজনীতির বাইনারি! BJP-র স্ক্রিন টাইম শূন্য, TRP-তে শুধুই CPM-TMC
নির্বাচন কমিশন আগেই শুনানির দিন বাড়িয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি রয়েছে। কিন্তু কমিশন সূত্রের খবর, তার মধ্যে কাজ শেষ করা কিছুটা হলেও কঠিন। আর সেই কারণেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন আরও বাড়তে পারে।
শুনানিতে ভোটাররা যে সমস্ত নথি জমা দিয়েছে কমিশন নিযুক্ত মাইক্রো অবজার্ভাররা তা যাচাই করছে। গোটা প্রক্রিয়ার পর্যালোচনার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের। সূত্রের খবর নথি যাচাইয়ের পরেই ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯৭০ জনের নথিকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করেছেন মাইক্রো অবজার্ভাররা।
জেলা শাসকদের কাছে এখনও ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩২৩টি নথি পড়ে আছে। সেগুলি যাচাই করা বাকি। মাইক্রো অবজার্ভাবেরা অন্তত ৩০ লক্ষ ভোটারের নথি পুনরায় যাচাইয়ের জন্য ইরাও ও সহকারী এইআইর-দের কাছে পাঠিয়েছে।









