শিবনাথ প্রধান, সাঁতরাগাছি, হাওড়াঃ
ইথিওপিয়ার এর্তা আলে একটি সক্রিয় শিল্ড আগ্নেয়গিরি, যা একটি নির্জন মরুভূমি অঞ্চলে এবং ইথিওপিয়ার ডানা কিল ডিপ্রেশনে অবস্থিত। এর্তা আলে “নরকের প্রবেশদ্বার” নামেও পরিচিত। এটির ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হল দুটি সক্রিয় লাভা হ্রদ সহ একটি ক্যালডেরা। ১৮৭৩ সালে প্রথম সক্রিয় হয় তার পর থেকে লাভা উদগীরণ করে চলেছে।
এর্তা আলে আগ্নেয়গিরিটি ইথিওপিয়ার সবচেয়ে সক্রিয় এবং এর সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ৬১৩ মিটার (২,০১১ ফুট)। এটি এই অঞ্চলের অনেক ঢাল আগ্নেয়গিরির মধ্যে একটি এবং ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত এবং ১.৬ কিলোমিটার উপবৃত্তাকার, এর চূড়ায় অনেক খাড়া গর্ত রয়েছে। এই গর্ত থেকেই অনবরত লাভা উদগীরণ করে চলেছে এর্তা আলে।
সাধারণত সব সক্রিয় আগ্নেয়গিরিকে নরকের প্রবেশদ্বার বলা হয় কারণ সবসময় উত্তপ্ত থাকে এবং সেখান থেকে সবসময় ধোঁয়া বের হয়, যা দেখতে নরকের মতো (কাল্পনিক)। এছাড়াও, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ধ্বংসলীলা হতে পারে, যা নরকের কষ্টের সাথে তুলনীয়।
আরও পড়ুনঃ হাতে আর মাত্র ৩ দিন, ভোটের গরম হাওয়ার মধ্যেই কাঁপুনি কলকাতায়?
“নরকের প্রবেশদ্বার” শব্দটি দিয়ে মূলত বোঝানো হয় এমন একটি স্থান যা খুবই বিপজ্জনক, ভয়ংকর এবং যেখানে প্রবেশ করলে আর ফেরা যায় না। আগ্নেয়গিরির ক্ষেত্রে, এটি সত্যিই বিপজ্জনক, কারণ অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভা, ছাই এবং গ্যাসের কারণে চারপাশের পরিবেশ খুবই প্রতিকূল হয়ে যায়। এই কারণে, অনেক সংস্কৃতিতেই আগ্নেয়গিরিকে নরকের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরিকে প্রাচীন রোমানরা নরকের প্রবেশদ্বার হিসেবে মনে করত, কারণ এর ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের কারণেই পম্পেই ও হারকিউলেনিয়াম শহর ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
বর্তমানে ইথিওপিয়ার এর্তা আলে আগ্নেয়গিরিকে “নরকের প্রবেশদ্বার” বলা হয়, কারণ এর জ্বালামুখ সবসময় উত্তপ্ত থাকে এবং লাভার হ্রদ সবসময় দেখা যায়। ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরিকে প্রাচীন রোমানরা নরকের প্রবেশদ্বার হিসেবে মনে করত, কারণ এর ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের কারণেই পম্পেই ও হারকিউলেনিয়াম শহর ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।









