শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করে বিল্পবের স্বপ্ন দেখিয়েছিল তাঁরা। সেই নাহিদ ইসলামরা নির্বাচনী রাজনীতিতে অবশ্য আদর্শ ভুলো মৌলবাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। মাত্র ৩০টির মতো আসনে লড়াই করা দলটির একাধিক ‘বড় মুখ’ নির্বাচনে হেরেছেন। নাহিদ ইসলামের মতো কয়েকজন অবশ্য জিতেছেন ভোটে। এনসিপি মুখপাত্র ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া জানান, তাঁর দল অন্তত ৫টি আসনে জয়ী হয়েছে। এই আবহে একনজরে দেখে নেওয়া যাক, এনসিপির বড় মাপের নেতাদের কে কেমন ফল করলেন নির্বাচনে…
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের পঞ্চগড়-১ আসনে ভোটারদের তীব্র প্রত্যাখ্যান; চরম বিপর্যয় “জুলাই জঙ্গি” সারজিসের
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। আর নাহিদ ইসলাম শাপলা প্রতীকে ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন।
এদিকে ঢাকা-৮ আসনে এসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারি হেরেছেন পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে। তাঁকে হারিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস। এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মোট ভোট পড়ে ৫৯ হাজার ৩৬৬টি। আর এনসিপির নাসিরউদ্দিন ৫৪ হাজার ১২৭টি ভোট পেয়েছেন এই কেন্দ্রে।
আরও পড়ুনঃ ‘ঐতিহাসিক জয়’, তারেককে মোদীর শুভেচ্ছা, একসঙ্গে কাজ করার বার্তা
এদি পঞ্চগড়-১ আসনে হেরেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন আহ্বায়ক তথা এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই আসনে সারজিস আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে লড়াই করা বিএনপি প্রার্থী মহম্মদ নওশাদ জমির পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ১২০।
এদিকে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জয়ী হয়েছেন এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ। ভারত-বিরোধী মৌলবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত এই হাসনাত। এই আসনে প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়েছিলেন হাসনাত। এই আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল নির্বাচনের আগেই। এই আবহে সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তেই হয়নি হাসনাতকে।









