spot_img
Monday, 2 March, 2026
2 March
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গSiliguri: জল-সমস্যায় জেরবার; টানা ছয়দিন বিকেলে জল পাবে না শহর শিলিগুড়ি

Siliguri: জল-সমস্যায় জেরবার; টানা ছয়দিন বিকেলে জল পাবে না শহর শিলিগুড়ি

বিদ্যুতের শীতকালীন রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ফের জল-সমস্যায় জেরবার হওয়ার আশঙ্কা শিলিগুড়িবাসীর

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

বিদ্যুতের শীতকালীন রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ফের জল-সমস্যায় জেরবার হওয়ার আশঙ্কা শিলিগুড়িবাসীর। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মিলিয়ে মোট ছয়দিন বিকেলবেলায় শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পানীয় জল পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে পুরনিগম। বিদ্যুৎ না থাকলে রিজার্ভারে জল তোলা যাবে না। বছরের বিভিন্ন সময় রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে বিদ্যু‌‌ৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে একইরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় নাগরিকদের। কেন পুর কর্তৃপক্ষ জল তোলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করছে না, সেই প্রশ্ন তুলছেন তঁারা।

আরও পড়ুনঃ ভোট বড় বালাই; ‘নিরীশ্বরবাদী’ বামেরাও ‘ধর্মের আফিম’ সেবন!

পুরনিগমের পানীয় জল সরবরাহ বিভাগের মেয়র পারিষদ দুলাল দত্তর কথায়, ‘বিদ্যুতের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জল উত্তোলন হবে না। তাই পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটবে ক’টা দিন। তবে, আমরা ট্যাংকার ও জলের পাউচ বিলি করব ওই দিনগুলোতে। সবরকমভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হবে।’

নাগরিকদের দুর্ভোগ কমাতে এধরনের বিষয় বিজ্ঞপ্তি আকারে আগেই জানিয়ে দেওয়ার কথা পুর কর্তৃপক্ষের। অথচ এবার সেটা করা হয়নি। শেষে টনক নড়ে এদিন সন্ধ্যায়। ফলে শিডিউল অনুযায়ী প্রথম দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ফঁাপরে পড়েন শিলিগুড়ির ৩১ থেকে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ওই এলাকায় এদিন বিকেলে জল পরিষেবা দিতে পারেনি পুরনিগম। এরপর তারিখ উল্লেখ করে ওয়ার্ডভিত্তিক পরিষেবা বন্ধের কথা বিজ্ঞপ্তি আকারে সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ সমাজমাধ্যমের পেজে জানানো হয় পুরনিগমের তরফে।

১৬ ডিসেম্বর ও ৮ জানুয়ারি পুরনিগমের ৩১ থেকে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিকেলে পানীয় জল পরিষেবা বন্ধ থাকবে। ২১ ডিসেম্বর ও ২৫ জানুয়ারি ৩৬ থেকে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিকেলবেলায় পরিষেবা দেওয়া যাবে না। ২৮ ডিসেম্বর আর ১৮ জানুয়ারি শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডেই বিকেলে পানীয় জল মিলবে না।

সূর্য সেন কলোনির বাসিন্দা প্রিয়াংকা দে’র বক্তব্য, ‘পুরনিগমের জল আমাদের বাড়ির রিজার্ভারে জমানো হয়। পরে সেটা ব্যবহার করি। আজ আর জল আসেনি। আগে এব্যাপারে কিছুই জানতাম না।’ অশোকনগরে বাড়ি সুজিত সরকারের। বলছিলেন, ‘বিকেলে জল নিতে গিয়ে শুনি, আসবে না। আগাম তো জানা ছিল না আমাদের। তারপর বাধ্য হয়ে দুই লিটারের একটি বোতল কিনে নিয়ে গেলাম।’

আরও পড়ুনঃ স্বস্তির শ্বাস ১৮০ জন যাত্রীর! কলকাতা বিমানবন্দর থেকে উড়ানের পরই বিমানের নাকে ধাক্কা পাখির

অভিযোগ, পুরনিগমের জল পরিষেবা বন্ধ থাকলে একশ্রেণির ব্যবসায়ী পরিস্থিতির সুযোগ নেন। দাম বাড়িয়ে জলভর্তি জার বিক্রি করেন। কারও কারও বিরুদ্ধে এককদম এগিয়ে পরিস্রুত জলের নামে সাধারণ কলের জল ভরে ব্যবসা চালানোর মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে আসে।

এ মাস থেকে শহরজুড়ে শীতকালীন রক্ষণাবেক্ষণ শুরু করছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি। সেই সংক্রান্ত তালিকা সহ বিজ্ঞপ্তি জারি করে সংস্থা। যেদিন যে এলাকায় পরিষেবা থাকবে না, তার আগের দিন মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয় সেখানে। একইভাবে নির্দিষ্ট দিনে সেই সমস্ত এলাকার রিজার্ভারে জল তোলা সম্ভব হয় না। ফলে পানীয় জল পরিষেবা বিঘ্নিত হয়। সারাবছরে সবমিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ দিন ব্যাঘাত ঘটে।

এপ্রসঙ্গে পুরনিগমের পানীয় জল সরবরাহ বিভাগের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ বর্তমানে সিপিএম কাউন্সিলার শরদিন্দু চক্রবর্তীর দাবি, ‘আমাদের বোর্ড থাকাকালীন বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে সাধারণের দুর্ভোগ যতটা সম্ভব কমানোর চেষ্টা করতাম।’

যদিও বাম জমানাতেও বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হলে জল তোলার বিকল্প ব্যবস্থা ছিল না।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন